চাপ বাড়লেও যানজট নেই উত্তরের মহাসড়কে

ছয় লেন জাতীয় মহাসড়ক ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেইঞ্জ সিরাজগঞ্জের মহাসড়কের চিরচেনা চিত্র বদলে দিয়েছে। উত্তরাঞ্চলবাসীর ঈদযাত্রায় এনে দিয়েছে স্বস্তি। এক সময়ের গলার কাঁটা হিসেবে পরিচিত এ মহাসড়কে এবার নির্ঝঞ্ঝাট যাত্রায় উচ্ছ্বসিত যাত্রীরা।  সোমবার (২৫ মে) ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়ক ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে রাজশাহী, পাবনা এবং রংপুর সড়ক চারটি মহাসড়কেই স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। তবে গাড়ির চাপ ক্রমশই বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।  যমুনা সেতু মহাসড়কের মুলিবাড়ি, কড্ডার মোড়, নলকা, পাঁচলিয়া ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করতে বাস, ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটর সাইকেলযোগে হাজার হাজার মানুষ ঘরে ফিরছে। ফলে মহাসড়কে ক্রমশ যানবাহনের চাপ বাড়ছে। সেই সঙ্গে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের সংখ্যাও অনেক। গাড়ির যথেষ্ট চাপ থাকা স্বত্বেও কোথাও যানজট বা ধীরগতি নেই। তবে যমুনা সেতুর পূর্বপারের যানজট থাকায় কিছুটা ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের।  হাটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশের ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, গাড়ির চাপ বাড়লেও একদম স্বাভাবিক গতিতে যান

চাপ বাড়লেও যানজট নেই উত্তরের মহাসড়কে

ছয় লেন জাতীয় মহাসড়ক ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেইঞ্জ সিরাজগঞ্জের মহাসড়কের চিরচেনা চিত্র বদলে দিয়েছে। উত্তরাঞ্চলবাসীর ঈদযাত্রায় এনে দিয়েছে স্বস্তি। এক সময়ের গলার কাঁটা হিসেবে পরিচিত এ মহাসড়কে এবার নির্ঝঞ্ঝাট যাত্রায় উচ্ছ্বসিত যাত্রীরা। 

সোমবার (২৫ মে) ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়ক ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে রাজশাহী, পাবনা এবং রংপুর সড়ক চারটি মহাসড়কেই স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। তবে গাড়ির চাপ ক্রমশই বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। 

যমুনা সেতু মহাসড়কের মুলিবাড়ি, কড্ডার মোড়, নলকা, পাঁচলিয়া ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করতে বাস, ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটর সাইকেলযোগে হাজার হাজার মানুষ ঘরে ফিরছে। ফলে মহাসড়কে ক্রমশ যানবাহনের চাপ বাড়ছে। সেই সঙ্গে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের সংখ্যাও অনেক। গাড়ির যথেষ্ট চাপ থাকা স্বত্বেও কোথাও যানজট বা ধীরগতি নেই। তবে যমুনা সেতুর পূর্বপারের যানজট থাকায় কিছুটা ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। 

হাটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশের ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, গাড়ির চাপ বাড়লেও একদম স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। কোথাও কোনো গাড়ি থেমে নেই। 

সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) মো. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় এখন পর্যন্ত কোনো ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি। বিপুলসংখ্যক গাড়ি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে।

হাটিকুমরুল ইন্টারচেইঞ্জ প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আক্তার বলেন, ইন্টারচেইঞ্জেরর গুরুত্বপূর্ণ লেন সাময়িকভাবে খুলে দেওয়ার ফলে মহাসড়ক স্বাভাবিক রয়েছে। আশা করছি ঈদযাত্রা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ হবে।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সান্তু বলেন, জেলা পুলিশের ৬১৪ জন সদস্য, ৩১ জন অফিসার ও সাদা পোশাকে ১০০ গোয়েন্দা পুলিশসহ মোট ৮ শতাধিক ফোর্স এবং অফিসার কাজ করবে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা করতে। এ ঈদের সময় দুই দিক থেকে ঘরমুখো মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুর গাড়িও চলবে। এ কারণে চাপ কিছুটা বেশি থাকবে। তবে আমরা পরিকল্পনা করেছি, আশা করছি শান্তিপূর্ণভাবেই ঈদযাত্রা সম্পন্ন হবে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow