চার দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ এসএসসি পরীক্ষার্থীর
নোয়াখালীর চাটখিলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তাসপিয়া আক্তার রাশেদা নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
পরীক্ষা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীর এমন নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধারে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
নিখোঁজ তাসপিয়া উপজেলার উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের রাশেদুল ইসলাম ওরফে ইমনের মেয়ে। সে স্থানীয় মোহাম্মদপুর জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে বাড়ি থেকে সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ কলেজে ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যায় রাশেদা। পরীক্ষা শেষে দীর্ঘ সময় পার হলেও সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে এবং আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার রাতে রাশেদার মা লাইলী বেগম বাদী হয়ে চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
রাশেদার মা লাইলী বেগম ও বাবা রাশেদুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমাদের মেয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। চারদিন প
নোয়াখালীর চাটখিলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তাসপিয়া আক্তার রাশেদা নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
পরীক্ষা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীর এমন নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধারে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
নিখোঁজ তাসপিয়া উপজেলার উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের রাশেদুল ইসলাম ওরফে ইমনের মেয়ে। সে স্থানীয় মোহাম্মদপুর জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে বাড়ি থেকে সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ কলেজে ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যায় রাশেদা। পরীক্ষা শেষে দীর্ঘ সময় পার হলেও সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে এবং আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার রাতে রাশেদার মা লাইলী বেগম বাদী হয়ে চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
রাশেদার মা লাইলী বেগম ও বাবা রাশেদুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমাদের মেয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। চারদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাইনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেছি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও খুঁজেছি, কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। আমরা খুবই উদ্বিগ্ন ও দুশ্চিন্তায় আছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, দ্রুত আমাদের মেয়েকে খুঁজে বের করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন।
পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, মেয়েটির সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। পরীক্ষা দিতে গিয়ে সে কীভাবে নিখোঁজ হলো, তা নিয়ে তারা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
চাটখিল থানার ওসি মো. আব্দুল মোন্নাফ বলেন, আমি ছুটিতে থাকায় বিষয়টি আগে জানতে পারিনি। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাকে খুঁজে বের করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।