চালককে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়েছে দূর্বৃত্তরা

ভোলার লালমোহনে মো. আবুবকর (৫৫) নামের এক ব্যাক্তিকে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গেছে দূর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে লালমোহন উপজেলার চর উমেদ ২ নং ওয়ার্ডের কচুখালী নামক স্থান থেকে নিহত আবুবকরের মরেহ উদ্ধার করে লালমোহন থানা পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মরদেহ ভোল সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে সুলতান বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহত আবুবকর চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ৫নং ওয়ার্ডের ওসমান গণি বলির ছেলে। তার দুই মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। পুলিশের এসআই নুর আমিন জানান, মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে থানার অন্যান্য ফোর্স নিয়ে লালমোহন থানার অন্তর্গত চর উমেদ ২ নং ওয়ার্ড কচুখালী নামক স্থান থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে তার নাম ও পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে তার নাম ও পরিচয় মিলেছে৷ তার নাম আবুবকর ও চরফ্যাশন উপজেলার এওয়াজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। বুধবার সকালে মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। নিহতের বোন জুলেখা বলেন, 'আমার ভাই একজন অটোরিকশা চালক৷ প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার

চালককে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়েছে দূর্বৃত্তরা

ভোলার লালমোহনে মো. আবুবকর (৫৫) নামের এক ব্যাক্তিকে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গেছে দূর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে লালমোহন উপজেলার চর উমেদ ২ নং ওয়ার্ডের কচুখালী নামক স্থান থেকে নিহত আবুবকরের মরেহ উদ্ধার করে লালমোহন থানা পুলিশ।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মরদেহ ভোল সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে সুলতান বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

নিহত আবুবকর চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ৫নং ওয়ার্ডের ওসমান গণি বলির ছেলে। তার দুই মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে।

পুলিশের এসআই নুর আমিন জানান, মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে থানার অন্যান্য ফোর্স নিয়ে লালমোহন থানার অন্তর্গত চর উমেদ ২ নং ওয়ার্ড কচুখালী নামক স্থান থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে তার নাম ও পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে তার নাম ও পরিচয় মিলেছে৷ তার নাম আবুবকর ও চরফ্যাশন উপজেলার এওয়াজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। বুধবার সকালে মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে।

নিহতের বোন জুলেখা বলেন, 'আমার ভাই একজন অটোরিকশা চালক৷ প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন তিনি৷ তবে রাতে আর বাসায় ফিরেনি। গভীর রাতে লালমোহন থানার পুলিশ আমার ভাইর মরদেহ উদ্ধার করেছে এমন একটি সংবাদ ফেসবুকে দেখতে পাই। পরে আজ বুধবার সকালে আমরা লালমোহন থানায় আসি।'

লালমোহন থানার ওসি মোঃ অলিউল ইসলাম জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে দূর্বৃত্তরা তার অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্য তাকে ছুরি দিয়ে হত্যা করেছে। তবে মৃত্যুর আসল ঘটনা জানার জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ আসলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়াও এই ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow