চিকিৎসার কথা বলে এনে হোটেলে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে (২২) হত্যার দায়ে স্বামী মো. নেজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি মো. নেজাম উদ্দিনকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা মো. নেজাম উদ্দিনের সঙ্গে শাহনাজ বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর শাহনাজ অসুস্থ হয়ে পড়লে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে তাকে চট্টগ্রাম নগরে নিয়ে আসেন নেজাম। তবে হাসপাতালে না নিয়ে বহদ্দারহাটের স্বজন সুপার মার্কেটসংলগ্ন হোটেল আল-রেজার ৩১৯ নম্বর কক্ষে ওঠেন

চিকিৎসার কথা বলে এনে হোটেলে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে (২২) হত্যার দায়ে স্বামী মো. নেজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি মো. নেজাম উদ্দিনকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।

রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা মো. নেজাম উদ্দিনের সঙ্গে শাহনাজ বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর শাহনাজ অসুস্থ হয়ে পড়লে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে তাকে চট্টগ্রাম নগরে নিয়ে আসেন নেজাম। তবে হাসপাতালে না নিয়ে বহদ্দারহাটের স্বজন সুপার মার্কেটসংলগ্ন হোটেল আল-রেজার ৩১৯ নম্বর কক্ষে ওঠেন তারা।

পরে ওই কক্ষ থেকে শাহনাজ বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আজগর আলী চান্দগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ নেজাম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১৪ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

এমআরএএইচ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow