চিনির দাম কমতে পারে
চিনির ওপর থাকা ১ শতাংশ উৎসে কর কমিয়ে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকতে পারে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম কমতে পারে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, ধান, গম, ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর ০ দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হতে পারে বাজেটে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চলতি বছরের শুরু থেকেই চিনির দাম স্থিতিশীল ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে চিনির দাম বেড়েছে কয়েক দফা। বর্তমানে খোলা ও মোড়কজাত—উভয় ধরনের চিনি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। যদিও চিনি আমদানিসহ বিভিন্ন পর্যায়ে করছাড় দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আরও পড়ুন বাজেটে দাম কমতে ও বাড়তে পারে যেসব পণ্যের এক থেকে দেড় বছর আগেও দেশে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চিনির দাম ধারাবাহিকভাবে কমে যায়। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম কমতে থাকলেও দেশের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে
চিনির ওপর থাকা ১ শতাংশ উৎসে কর কমিয়ে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকতে পারে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম কমতে পারে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, ধান, গম, ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর ০ দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হতে পারে বাজেটে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
চলতি বছরের শুরু থেকেই চিনির দাম স্থিতিশীল ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে চিনির দাম বেড়েছে কয়েক দফা। বর্তমানে খোলা ও মোড়কজাত—উভয় ধরনের চিনি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। যদিও চিনি আমদানিসহ বিভিন্ন পর্যায়ে করছাড় দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বাজেটে দাম কমতে ও বাড়তে পারে যেসব পণ্যের
এক থেকে দেড় বছর আগেও দেশে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চিনির দাম ধারাবাহিকভাবে কমে যায়। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম কমতে থাকলেও দেশের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। বৈশ্বিক সংঘাত ও জ্বালানি সংকটকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে আমদানিকারক ও পাইকারি পর্যায়ে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে।
দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে মণপ্রতি (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) চিনির দাম ছিল ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৪২০ টাকা। দীর্ঘ দুই বছর পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পরিপ্রেক্ষিতে খুচরা বাজারেও সহনীয় পর্যায়ে বিক্রি হতে থাকে চিনি।
তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে সামরিক হামলা শুরু করলে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি দেশে জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে পাইকারিতে মণপ্রতি ২০০ থেকে ২০৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
এসএম/ইএ
What's Your Reaction?