চিরকুট লিখে নবজাতককে অচেনা নারীর কোলে রেখে গেলেন মা

পাবনার ঈশ্বরদীতে অপরিচিত এক নারীর কোলে ১৯ দিন বয়সী এক নবজাতক রেখে চিরকুট লিখে পালিয়ে গেছেন মা। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি কোলে রাখা ওই নারীর নাম মিষ্টি আক্তার। তিনি উপজেলার জয়নগর গ্রামের সাগর হোসেনের স্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিষ্টি আক্তার তার স্বামী সাগর হোসেনকে জ্বর-ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তিনি বহির্বিভাগে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় অপরিচিত এক নারী এসে তার কোলে থাকা ১৯ দিন বয়সী শিশুকে দিয়ে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলেন। পরে মিষ্টি আক্তার নামে ওই নারী দীর্ঘসময় অপেক্ষা করার পরও শিশুটিকে দিয়ে যাওয়া নারী (মা) আর আসেননি। পরে শিশুটির শরীরে জড়ানো কাপড়ে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে লেখা ছিল—‘আপনি বাচ্চাটি হেফাজতে রাখবেন। বাচ্চাটির জন্ম ১ জানুয়ারি।’ চিরকুট পড়ে সন্দেহ হলে মিষ্টি আক্তার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসানের কক্ষে গিয়ে পুরো ঘটনাটি জানান। বিষয়টি জেনে ড. আলী এহসান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। মিষ্টি

চিরকুট লিখে নবজাতককে অচেনা নারীর কোলে রেখে গেলেন মা

পাবনার ঈশ্বরদীতে অপরিচিত এক নারীর কোলে ১৯ দিন বয়সী এক নবজাতক রেখে চিরকুট লিখে পালিয়ে গেছেন মা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

শিশুটি কোলে রাখা ওই নারীর নাম মিষ্টি আক্তার। তিনি উপজেলার জয়নগর গ্রামের সাগর হোসেনের স্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিষ্টি আক্তার তার স্বামী সাগর হোসেনকে জ্বর-ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তিনি বহির্বিভাগে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় অপরিচিত এক নারী এসে তার কোলে থাকা ১৯ দিন বয়সী শিশুকে দিয়ে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলেন। পরে মিষ্টি আক্তার নামে ওই নারী দীর্ঘসময় অপেক্ষা করার পরও শিশুটিকে দিয়ে যাওয়া নারী (মা) আর আসেননি। পরে শিশুটির শরীরে জড়ানো কাপড়ে একটি চিরকুট পাওয়া যায়।

চিরকুটে লেখা ছিল—‘আপনি বাচ্চাটি হেফাজতে রাখবেন। বাচ্চাটির জন্ম ১ জানুয়ারি।’

চিরকুট পড়ে সন্দেহ হলে মিষ্টি আক্তার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসানের কক্ষে গিয়ে পুরো ঘটনাটি জানান। বিষয়টি জেনে ড. আলী এহসান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।

মিষ্টি আক্তার বলেন, ‘আমি আমার স্বামীকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে আসি। এসময় একজন বাচ্চাটি দিয়ে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে চলে যান। তবে দীর্ঘসময় পরেও তিনি আর আসেননি।’

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. আলী এহসান বলেন, বিষয়টি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

শেখ মহসীন/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow