চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৪
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা এলাকায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া বিভিন্ন মালামাল ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত যানবাহন উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) খুলশীতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. হেলাল হোসেন (২৯), মো. সালাহউদ্দীন (৩৩), মো. রবিউল হোসেন ওরফে সোহেল (৩০) এবং মো. এসকান্দার ওরফে মদন (৪৫)। গ্রেপ্তাররা সবাই কর্ণফুলী থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকায় অবস্থিত চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল প্রবেশ করে। তারা জোনের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীরের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভেতরে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ফেলে। পরে তারা ড্রাম ট্রাক, এস্কেভেটর, রোলার মেশিন, ড্রেজারসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা এলাকায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া বিভিন্ন মালামাল ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত যানবাহন উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) খুলশীতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. হেলাল হোসেন (২৯), মো. সালাহউদ্দীন (৩৩), মো. রবিউল হোসেন ওরফে সোহেল (৩০) এবং মো. এসকান্দার ওরফে মদন (৪৫)। গ্রেপ্তাররা সবাই কর্ণফুলী থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকায় অবস্থিত চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল প্রবেশ করে। তারা জোনের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীরের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভেতরে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ফেলে। পরে তারা ড্রাম ট্রাক, এস্কেভেটর, রোলার মেশিন, ড্রেজারসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর জোনের স্টোর ম্যানেজার ওয়েন জিয়ং বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫–২০ জনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানায় মামলা করেন। মামলাটি পরে তদন্তের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদের নির্দেশনায় তদন্ত শুরু করেন উপপরিদর্শক সুব্রত কুমার ঘোষ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে ১২ মার্চ বদলপুরা ১৪ নম্বর ঘাট এলাকা থেকে মো. হেলাল হোসেন (২৯) নামের এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন আরও অভিযান চালিয়ে মো. সালাহউদ্দিন (৩৩), মো. রবিউল হোসেন ওরফে সোহেল (৩০) এবং মো. এসকান্দার ওরফে মদনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবার বাড়ি কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেখানো মতে ডাকাতদের পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া লুট হওয়া মালামালের মধ্যে একটি গ্যাস কাটার, একটি বেয়ারিং, চার বান্ডিল তামার তার, দুটি সেল, একটি মোটর, তিনটি হাসুয়া ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।
শিল্প পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, গ্রেপ্তাররা পেশাদার ডাকাত চক্রের সদস্য এবং তাদের নামে বিভিন্ন থানায় আরও একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?