চীনের সঙ্গে ইরানের ফোনালাপ, হলো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসনের জবাবে তাদের অনুতপ্ত না করা পর্যন্ত প্রতিরক্ষা ও প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান। এ কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, যিনি মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে টেলিফোন আলাপকালে এ মন্তব্য করেন। আরাঘচি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের বেসামরিক ও সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটিই বর্তমান আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী-এর নিরাপত্তাহীনতা এই আগ্রাসনের সরাসরি ফল। ইরান আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে এবং আগ্রাসী দেশ ও তাদের সহযোগীদের জাহাজ চলাচল সীমিত করা হয়েছে। তবে অন্যান্য দেশের জাহাজ ইরানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে চলাচল করতে পারবে। এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পরিষদ প্রকৃত আগ্রাসীদের

চীনের সঙ্গে ইরানের ফোনালাপ, হলো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসনের জবাবে তাদের অনুতপ্ত না করা পর্যন্ত প্রতিরক্ষা ও প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান।

এ কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, যিনি মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে টেলিফোন আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।

আরাঘচি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের বেসামরিক ও সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটিই বর্তমান আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী-এর নিরাপত্তাহীনতা এই আগ্রাসনের সরাসরি ফল। ইরান আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে এবং আগ্রাসী দেশ ও তাদের সহযোগীদের জাহাজ চলাচল সীমিত করা হয়েছে। তবে অন্যান্য দেশের জাহাজ ইরানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে চলাচল করতে পারবে।

এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পরিষদ প্রকৃত আগ্রাসীদের উপেক্ষা করছে এবং উল্টো ইরানকে দোষারোপ করছে। তিনি বিশেষ করে চীন ও রাশিয়াসহ সদস্য দেশগুলোর কাছে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘বুলিং আচরণ’ বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া সাম্প্রতিক হামলায় নিহত ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ড. লারিজানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ওয়াং ই তাকে একজন দেশপ্রেমিক ও গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

সূত্র-প্রেসটিভি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow