চুন্নুর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে হট্টগোল, পরে বাতিল

জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া হলফনামায় বিভিন্ন ত্রুটির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এদিন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে মুজিবুল হক চুন্নুকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে উল্লেখ করে তার শাস্তির দাবি জানান উপস্থিত জনতা। তবে যাচাই-বাছাইয়ের সময় মুজিবুল হক চুন্নু নিজে উপস্থিত ছিলেন না। তার পক্ষে কয়েকজন প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে মামলার তথ্য গোপন করা, ঋণখেলাপি হওয়া এবং মনোনয়নপত্রে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকাসহ বিভিন্ন ত্রুটির কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, মুজিবুল হক চুন্নু জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে

চুন্নুর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে হট্টগোল, পরে বাতিল

জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া হলফনামায় বিভিন্ন ত্রুটির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এদিন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে মুজিবুল হক চুন্নুকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে উল্লেখ করে তার শাস্তির দাবি জানান উপস্থিত জনতা। তবে যাচাই-বাছাইয়ের সময় মুজিবুল হক চুন্নু নিজে উপস্থিত ছিলেন না। তার পক্ষে কয়েকজন প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে মামলার তথ্য গোপন করা, ঋণখেলাপি হওয়া এবং মনোনয়নপত্রে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকাসহ বিভিন্ন ত্রুটির কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, মুজিবুল হক চুন্নু জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে পোস্টার সাঁটিয়ে ছিলেন নির্বাচনী এলাকায়। মনোনয়নপত্র ক্রয় ও দাখিলের সময়ও তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর থেকে মুজিবুল হক চুন্নু তার নিজ বাড়ি কিংবা নির্বাচনী এলাকা করিমগঞ্জ-তাড়াইল উপজেলায় একবারও আসেননি। এমনকি করিমগঞ্জে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।

মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে কিশোরগঞ্জ জেলার ১, ২ ও ৩ আসনে মোট ৩২ প্রার্থীর মধ্যে ১৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, ১৬ জনের বাতিল এবং ১টি স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow