চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় চুরির অভিযোগে গণপিটুনির শিকার হয়ে ইমন মিয়া ওরফে লিমন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের পুরানবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন মিয়া ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমন মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের পর তিনি কিছুদিন এলাকা ছেড়ে থাকলেও মাঝেমধ্যে গ্রামে এসে বিভিন্ন স্থানে চুরি করতেন বলে স্থানীয়দের দাবি। স্থানীয়দের ভাষ্য, শুক্রবার (১৭ জুলাই) গভীর রাতে পুরানবাড়ি গ্রামের পল্লী চিকিৎসক লিটন মিয়ার বাড়িতে চুরির অভিযোগ ওঠে ইমনের বিরুদ্ধে। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় আঠারবাড়ি রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। এ সময় তার কাছ থেকে চুরির মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। পরে তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মৃত্যু হয়। নিহতের সৎমা পারভীন আক্তার বলেন, ‘ইমন চুরি করত। তাকে ধরে বাড়িতে আনার পর লজ্জায় আমি দেখতে যাইনি। কিছুক্ষণ পর শুনি, সে মারা গেছে।’ কেন্দুয়া থা

চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় চুরির অভিযোগে গণপিটুনির শিকার হয়ে ইমন মিয়া ওরফে লিমন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের পুরানবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন মিয়া ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমন মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের পর তিনি কিছুদিন এলাকা ছেড়ে থাকলেও মাঝেমধ্যে গ্রামে এসে বিভিন্ন স্থানে চুরি করতেন বলে স্থানীয়দের দাবি। স্থানীয়দের ভাষ্য, শুক্রবার (১৭ জুলাই) গভীর রাতে পুরানবাড়ি গ্রামের পল্লী চিকিৎসক লিটন মিয়ার বাড়িতে চুরির অভিযোগ ওঠে ইমনের বিরুদ্ধে। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় আঠারবাড়ি রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। এ সময় তার কাছ থেকে চুরির মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। পরে তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মৃত্যু হয়। নিহতের সৎমা পারভীন আক্তার বলেন, ‘ইমন চুরি করত। তাকে ধরে বাড়িতে আনার পর লজ্জায় আমি দেখতে যাইনি। কিছুক্ষণ পর শুনি, সে মারা গেছে।’ কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ময়নাতদন্তের পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow