চেয়ারম্যান প্রার্থীর শুভেচ্ছার ফেস্টুনে মুজিব-জিয়া-তারেকের ছবি

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর অভিনব প্রচারণাকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক যুবদল নেতা ওই প্রার্থী নিজেকে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে ফেস্টুনে শেখ মজিবুর রহমান, শহীদ জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করেছেন। স্থানীয় সূত্র ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নাম ফাহিম হাসান রনি মাঝি। তিনি ঘড়িষার ইউনিয়নের বাসিন্দা। একসময় তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাতে সম্প্রতি ফাহিম হাসান রনি মাঝির ছবি সম্বলিত একটি নির্বাচনি ফেস্টুন এলাকায় টানানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ওই ফেস্টুনে উপরের বামপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ডানপাশে শহীদ জিয়াউর রহমান ও মাঝখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া ফেস্টুনে নিজেকে নিরপেক্ষ নির্দলীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দাবি করেছেন। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ফাহিম হাসান রনি মাঝি বলেন, আমি

চেয়ারম্যান প্রার্থীর শুভেচ্ছার ফেস্টুনে মুজিব-জিয়া-তারেকের ছবি

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর অভিনব প্রচারণাকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক যুবদল নেতা ওই প্রার্থী নিজেকে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে ফেস্টুনে শেখ মজিবুর রহমান, শহীদ জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করেছেন।

স্থানীয় সূত্র ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নাম ফাহিম হাসান রনি মাঝি। তিনি ঘড়িষার ইউনিয়নের বাসিন্দা। একসময় তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাতে সম্প্রতি ফাহিম হাসান রনি মাঝির ছবি সম্বলিত একটি নির্বাচনি ফেস্টুন এলাকায় টানানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ওই ফেস্টুনে উপরের বামপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ডানপাশে শহীদ জিয়াউর রহমান ও মাঝখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া ফেস্টুনে নিজেকে নিরপেক্ষ নির্দলীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দাবি করেছেন। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা জন্ম দিয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ফাহিম হাসান রনি মাঝি বলেন, আমি রাজনীতির বাইরে নিরপেক্ষ নির্দলীয় নির্বাচন করবো। সেক্ষেত্রে শেখ মুজিবুর রহমানকে অস্বীকার করার কিছু নেই। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান অনেক। এই কারণে আমার কাছে সে মহান। অন্যদিকে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা যুদ্ধে অনেক অবদান রয়েছে। আমি তা অস্বীকার করি না। যেহেতু দুজন নেতাই স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রেখেছে তাই দুজনের ছবিই আমি রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের ছবি দেওয়ার কারণ হচ্ছে, সে এখন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী। তাকে অস্বীকার করার কিছু নেই। তাকে অস্বীকার করলে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হবে। আমি অন্য কোনো কারণে ছবিগুলো রাখিনি।

বিধান মজুমদার অনি/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow