ছাত্রদলের মিছিলে গিয়ে হঠাৎ লুটিয়ে পড়ল সায়দুল
হাতে ছিল মোবাইল ফোন, চোখে ছিল কৌতূহল আর উত্তেজনা। নগরের পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে মিছিলের ভিডিও ধারণ করছিল অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়দুল। কেউ জানত না, সেটাই হয়ে উঠবে তার জীবনের শেষ ভিডিও। কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের মিছিলের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে ভিডিও করছিল সে। হঠাৎ করেই থমকে যায় তার পা। মাথা ঘুরে এক মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কিশোরটি। আশপাশের মানুষজন দৌড়ে এসে মাথায় পানি ছিটিয়ে, ডাকাডাকি করে তাকে জাগানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সায়দুল আর চোখ মেলেনি। রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে দ্রুত ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সায়দুল ছিল এনায়েত বাজার এলাকার বাসিন্দা। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এই কিশোরের স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করা। বাবা নজরুল ইসলাম বাবু রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত মুখ হলেও সায়দুল রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল না। আজ সে গিয়েছিল কেবল উৎসাহ আর কৌতূহল নিয়ে একটি বড় সমাবেশ নিজের চোখে দেখা আর ক্যামেরাবন্দি করার জন্য। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সোনামানিক কালবেলাকে বলেন, কিশোরকে ন্যাশনাল হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকে
হাতে ছিল মোবাইল ফোন, চোখে ছিল কৌতূহল আর উত্তেজনা। নগরের পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে মিছিলের ভিডিও ধারণ করছিল অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়দুল। কেউ জানত না, সেটাই হয়ে উঠবে তার জীবনের শেষ ভিডিও।
কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের মিছিলের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে ভিডিও করছিল সে। হঠাৎ করেই থমকে যায় তার পা। মাথা ঘুরে এক মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কিশোরটি। আশপাশের মানুষজন দৌড়ে এসে মাথায় পানি ছিটিয়ে, ডাকাডাকি করে তাকে জাগানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সায়দুল আর চোখ মেলেনি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে দ্রুত ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সায়দুল ছিল এনায়েত বাজার এলাকার বাসিন্দা। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এই কিশোরের স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করা। বাবা নজরুল ইসলাম বাবু রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত মুখ হলেও সায়দুল রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল না। আজ সে গিয়েছিল কেবল উৎসাহ আর কৌতূহল নিয়ে একটি বড় সমাবেশ নিজের চোখে দেখা আর ক্যামেরাবন্দি করার জন্য।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সোনামানিক কালবেলাকে বলেন, কিশোরকে ন্যাশনাল হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বাবার কাঁধেই ছেলের নিথর দেহ ফিরে আসে এনায়েত বাজারের বাড়িতে।
জানা গেছে, তার বাবা নজরুল ইসলাম বাবু জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং কৃষক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
স্বজনরা জানান, উৎসাহিত হয়ে সে পলোগ্রাউন্ডে গিয়েছিল। ভিডিও করার সময় একপর্যায়ে সে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে হল টুয়েন্টি ফোর কনভেনশন হলের আগে সিআরবি রাস্তার মোড়ের দিকে এলেই সে মারা যায়।
এদিকে, একই সমাবেশকে ঘিরে পৃথক ঘটনায় জনসমাগমের চাপে আরও দুজন আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, আহতদের জরুরি বিভাগের ১০ নম্বর কক্ষে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আহতদের একজন রাকিব (২৫)। তিনি চাঁন্দগাঁও থানাধীন উত্তর মোহরা এলাকার বাসিন্দা। অপর আহতের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. ওয়াসিম কালবেলাকে বলেন, পলোগ্রাউন্ডে দুপুর ১২টার দিকে সামনের অংশে ভিড়ের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। পেছনে বাঁশ ছিল, সেখানে হেলান দেওয়ার সময় পড়ে গিয়ে তারা আহত হন। বর্তমানে দুজনই চমেকের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
What's Your Reaction?