‘ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে গণঅভ্যুত্থান হতো না’

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হতো না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে ছাত্র আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতাই পরবর্তীতে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আবু হানিফ বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবিকে কেন্দ্র করে এ সংগঠনের জন্ম হয়েছিল। শুরুতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হলেও পরে আওয়ামী লীগের নানা অন্যায়, অনিয়ম ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে সংগঠনটি। আমরা সংখ্যায় কম ছিলাম, কিন্তু প্রতিবাদ থামাইনি। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে যে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, তার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় থেকেই। ২০১৮ সালের পর ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পতনের পাটাতন তৈরি হয়েছিল। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছ

‘ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে গণঅভ্যুত্থান হতো না’
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হতো না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে ছাত্র আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতাই পরবর্তীতে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আবু হানিফ বলেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবিকে কেন্দ্র করে এ সংগঠনের জন্ম হয়েছিল। শুরুতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হলেও পরে আওয়ামী লীগের নানা অন্যায়, অনিয়ম ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে সংগঠনটি। আমরা সংখ্যায় কম ছিলাম, কিন্তু প্রতিবাদ থামাইনি। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে যে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, তার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় থেকেই। ২০১৮ সালের পর ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পতনের পাটাতন তৈরি হয়েছিল। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল ছাত্র অধিকার পরিষদ। তাই বলতে চাই ছাত্র অধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও হতো না। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শুধু কিশোরগঞ্জ নয়, দেশের যেখানেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা হবে, সেখানেই আমরা প্রতিবাদ জানাব। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আবু হানিফ বলেন, বর্তমানে দেশে নির্বাচিত সরকার রয়েছে এবং গণঅধিকার পরিষদও এ সরকারের অংশ। তাই আমাদের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান, সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। আমরা বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে ছিলাম, একসাথে নির্বাচনও করেছি। এখন মন্ত্রিসভায়ও গণঅধিকার পরিষদের সদস্য রয়েছে। আমরা সরকারের ভালো কাজে সহযোগিতা করব, তবে সরকার ভুল করলে অবশ্যই সমালোচনা করব। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি সালমান সাকিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কিশোরগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভি চৌধুরী, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহাগ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইসলামি ছাত্র শিবির কিশোরগঞ্জ জেলার সভাপতি ফকির মাহবুবুল আলম, ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি তানভীর আহমেদ, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতা শরিফুল ইসলাম নিশাদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জগলুল হাসান চয়ন, রাফিউল ইসলাম নওশাদ, জাতীয় ছাত্র শক্তি কিশোরগঞ্জ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের বায়তুল মাল সম্পাদক বরকত উল্লাহ ও নাজির হোসেন। ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow