ছাদখোলা বাসে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে বরণ, উৎসবে মাতল পুরো নগরী

বিপিএল শিরোপা জয়ের গৌরব নিয়ে রাজশাহীতে ফিরেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। প্রিয় দলের এই ঐতিহাসিক সাফল্য উদ্‌যাপনে সোমবার উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো নগরী। ছাদখোলা বাসে শহর প্রদক্ষিণের মধ্য দিয়ে খেলোয়াড়দের দেওয়া হয় গণসংবর্ধনা। সকালে হযরত শাহ মখদুম (র.) বিমানবন্দরে পৌঁছান রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ক্রিকেটাররা। সেখান থেকেই ট্রফি হাতে ছাদখোলা বাসে ওঠেন দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমসহ অন্য সদস্যরা। এরপর বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংবর্ধনা শোভাযাত্রা। বাস চলার পথে রাস্তার দুই পাশে ভিড় জমান হাজারো ক্রিকেটপ্রেমী। কেউ হাতে প্ল্যাকার্ড, কেউ জাতীয় ও দলীয় পতাকা নেড়ে প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন। ‘গর্বের রাজশাহী’, ‘চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিয়র্স’— এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শোভাযাত্রার সঙ্গে মোটরসাইকেল বহর যুক্ত হলে নগরজুড়ে তৈরি হয় বাড়তি উদ্দীপনা। সংবর্ধনা শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া রাজশাহী নগরীর উপশহরের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, এত বছর ধরে রাজশাহীর জন্য এই দিনটার অপেক্ষা ছিল। নিজের শহরের দলকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সামনে থেকে দেখতে পারাটা ভা

ছাদখোলা বাসে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে বরণ, উৎসবে মাতল পুরো নগরী
বিপিএল শিরোপা জয়ের গৌরব নিয়ে রাজশাহীতে ফিরেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। প্রিয় দলের এই ঐতিহাসিক সাফল্য উদ্‌যাপনে সোমবার উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো নগরী। ছাদখোলা বাসে শহর প্রদক্ষিণের মধ্য দিয়ে খেলোয়াড়দের দেওয়া হয় গণসংবর্ধনা। সকালে হযরত শাহ মখদুম (র.) বিমানবন্দরে পৌঁছান রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ক্রিকেটাররা। সেখান থেকেই ট্রফি হাতে ছাদখোলা বাসে ওঠেন দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমসহ অন্য সদস্যরা। এরপর বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংবর্ধনা শোভাযাত্রা। বাস চলার পথে রাস্তার দুই পাশে ভিড় জমান হাজারো ক্রিকেটপ্রেমী। কেউ হাতে প্ল্যাকার্ড, কেউ জাতীয় ও দলীয় পতাকা নেড়ে প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন। ‘গর্বের রাজশাহী’, ‘চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিয়র্স’— এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শোভাযাত্রার সঙ্গে মোটরসাইকেল বহর যুক্ত হলে নগরজুড়ে তৈরি হয় বাড়তি উদ্দীপনা। সংবর্ধনা শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া রাজশাহী নগরীর উপশহরের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, এত বছর ধরে রাজশাহীর জন্য এই দিনটার অপেক্ষা ছিল। নিজের শহরের দলকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সামনে থেকে দেখতে পারাটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। শাহ মখদুম থানার এক কলেজছাত্র রাফি ইসলাম বলেন, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স আমাদের গর্ব। খেলোয়াড়রা প্রমাণ করেছে, রাজশাহীর মাটিতেও চ্যাম্পিয়ন তৈরি হয়। এই জয় তরুণদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। নগরীর সাহেববাজার এলাকার গৃহবধূ রেহানা বেগম বলেন, ছেলেমেয়েদের নিয়ে এসেছি দলকে এক নজর দেখার জন্য। এমন আনন্দ রাজশাহীতে খুব কমই দেখা যায়। আজ সত্যিই উৎসবের দিন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়পাড়া থেকে আসা একদল সমর্থকের একজন শাওন আহমেদ বলেন, মাঠে যেভাবে তারা লড়াই করেছে, আজ শহরজুড়েও ঠিক সেভাবেই আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এই জয় রাজশাহীর মানুষের জয়। সংবর্ধনার একপর্যায়ে ট্রফি উঁচিয়ে ধরে সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন খেলোয়াড়রা। তাদের হাসি, উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশে আরও আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকরা। দীর্ঘদিন পর বিপিএল শিরোপা রাজশাহীতে আসায় নগরবাসীর মাঝে বিরাজ করে আলাদা এক আনন্দঘন আবহ। ক্রিকেটপ্রেমীদের মতে, এই জয় শুধু একটি দলের সাফল্য নয়; এটি রাজশাহীর ক্রীড়া ঐতিহ্যে যুক্ত হওয়া নতুন এক গৌরবময় অধ্যায়। ছাদখোলা বাসে দেওয়া এই সংবর্ধনা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে নগরবাসীর হৃদয়ে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow