ছুটি ছাড়াই অফিসে অনুপস্থিত উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ছুটি ছাড়াই ৩ দিন অফিসে অনুপস্থিত। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সেবাপ্রত্যাশীরা।  বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রায় অফিসে অনুপস্থিত থাকেন পাংশা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম।  সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে গেলে জাহিদুল ইসলামের কক্ষটি তালাবদ্ধ দেখা যায়। এ সময় তার কার্যালয়ের স্ক্যানিং অপারেটর ইসরাত জাহান বলেন, স্যার বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ১০টার আগেই চলে গেছে। আর আফিসে আসেনি। ছুটি নিয়েছে কি না আমার জানা নেই। কর্মকর্তার অফিসে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. সেলিম হোসেন। তিনি বলেন, স্যারের বাসা অফিসের পাশেই। স্যার প্রতিনিয়ত অফিস করেন। স্যার আজ ছুটিতে আছেন। অফিসের নিচে অবস্থান করা সেলিনা আক্তার নামের এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, আমি নতুন ভোটার হব। কর্মকর্তার কাছে পরামর্শ নিতে আসছিলাম। এসে দেখি তিনি অফিসে নেই।   এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেনি। রাজবাড়ী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেক

ছুটি ছাড়াই অফিসে অনুপস্থিত উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ছুটি ছাড়াই ৩ দিন অফিসে অনুপস্থিত। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সেবাপ্রত্যাশীরা। 

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রায় অফিসে অনুপস্থিত থাকেন পাংশা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। 

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে গেলে জাহিদুল ইসলামের কক্ষটি তালাবদ্ধ দেখা যায়। এ সময় তার কার্যালয়ের স্ক্যানিং অপারেটর ইসরাত জাহান বলেন, স্যার বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ১০টার আগেই চলে গেছে। আর আফিসে আসেনি। ছুটি নিয়েছে কি না আমার জানা নেই।

কর্মকর্তার অফিসে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. সেলিম হোসেন। তিনি বলেন, স্যারের বাসা অফিসের পাশেই। স্যার প্রতিনিয়ত অফিস করেন। স্যার আজ ছুটিতে আছেন।

অফিসের নিচে অবস্থান করা সেলিনা আক্তার নামের এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, আমি নতুন ভোটার হব। কর্মকর্তার কাছে পরামর্শ নিতে আসছিলাম। এসে দেখি তিনি অফিসে নেই।  

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেনি।

রাজবাড়ী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, সবাইকে নিয়মিত অফিস করার জন্য ইতিপূর্বেই বলা হয়েছে। তার অফিসে অনুপস্থিতির বিষয়টি আমার জানা নেই। তিনি আমার কাছে কোন ছুটির আবেদন করেনি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow