ছেলেকে খাবার খাইয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শহিদুলের

জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজের তিন দিন পর শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন এলাকার একটি ডোবা থেকে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত শহিদুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত সোলাইমান শেখের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। গত ২১ জুলাই সকালে তিনি স্থানীয় ‘হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসায়’ তার ছেলের জন্য সকালের খাবার নিয়ে যান। ছেলেকে খাইয়ে টিফিন ক্যরিয়ার হাতে মাদ্রাসার পেছনের পথ দিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হলেও থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। শুক্রবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন শিশু মাদ্রাসা-সংলগ্ন ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে। খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এ সময় স্বজনেরা পুলিশকে শহিদুলের মৃগী রোগের চিকিৎসার কাগজপত্র দেখান।

ছেলেকে খাবার খাইয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শহিদুলের

জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজের তিন দিন পর শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন এলাকার একটি ডোবা থেকে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

নিহত শহিদুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত সোলাইমান শেখের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। গত ২১ জুলাই সকালে তিনি স্থানীয় ‘হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসায়’ তার ছেলের জন্য সকালের খাবার নিয়ে যান। ছেলেকে খাইয়ে টিফিন ক্যরিয়ার হাতে মাদ্রাসার পেছনের পথ দিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হলেও থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

শুক্রবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন শিশু মাদ্রাসা-সংলগ্ন ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে। খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এ সময় স্বজনেরা পুলিশকে শহিদুলের মৃগী রোগের চিকিৎসার কাগজপত্র দেখান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow