ছেলের জন্য খাবার দিয়ে ফেরার পথে নিখোঁজ, তিনদিন পর মিলল মরদেহ
জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজের তিন দিন পর একটি ডোবা থেকে শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক। আরও পড়ুন আশুলিয়ায় ২৮ দিন ধরে নিখোঁজ মাদরাসাছাত্র এর আগে, একই দিন সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন এলাকার হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসার সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শহিদুল ইসলাম পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন গ্রামের মৃত সোলাইমান শেখের ছেলে। পুলিশ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে শহিদুল ইসলাম তার সাত বছর বয়সি ছেলে আব্দুল্লাহর জন্য হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসায় সকালের খাবার পৌঁছে দেন। খাবার শেষে টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে মাদ্রাসার পেছনের পথ দিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেননি। যদিও ওই সময় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। আরও পড়ুন নিখোঁজের একদিন পর খালে ভাসল কিশোরের মরদেহ শুক্রবার সকালে কয়েকজন শিশু ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে একটি মরদেহ ভ
জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজের তিন দিন পর একটি ডোবা থেকে শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক।

আশুলিয়ায় ২৮ দিন ধরে নিখোঁজ মাদরাসাছাত্র
এর আগে, একই দিন সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন এলাকার হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসার সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শহিদুল ইসলাম পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন গ্রামের মৃত সোলাইমান শেখের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে শহিদুল ইসলাম তার সাত বছর বয়সি ছেলে আব্দুল্লাহর জন্য হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসায় সকালের খাবার পৌঁছে দেন। খাবার শেষে টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে মাদ্রাসার পেছনের পথ দিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেননি। যদিও ওই সময় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।
শুক্রবার সকালে কয়েকজন শিশু ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার শুরু করে। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা মরদেহটি বাড়িতে নিয়ে যান। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। ঘটনার পর তারা এ-সংক্রান্ত চিকিৎসার কাগজপত্রও পুলিশকে দেখিয়েছেন।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের সঙ্গে তার ছেলের জন্য খাবার নিয়ে যাওয়া টিফিন ক্যারিয়ারও উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন এবং এ বিষয়ে চিকিৎসার কাগজপত্রও দেখিয়েছেন তার পরিবার।
তবে এ ঘটনায় পরিবারের লিখিত অভিযোগ দিলে গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হৃদয় আহম্মেদ/এসজেডএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?
