জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২০
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় পৃথক অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০ জন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করার তথ্য জানিয়েছে র্যাব। শনিবার (২৮ মার্চ) র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন এ তথ্য জানান। এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২০ জনের মধ্যে জেলা পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যদের পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালানোর সময় র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে চারজন সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় র্যাব-৭ চট্টগ্রাম বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারভুক্ত ও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলাটি ২২ জানুয়ারি দায়ের করা হয়। র্যাবের ভাষ্য, গত ২৭ মার্চ র্যাব-৭ ও র্যাব-১
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় পৃথক অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০ জন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করার তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
শনিবার (২৮ মার্চ) র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন এ তথ্য জানান।
এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২০ জনের মধ্যে জেলা পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যদের পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালানোর সময় র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে চারজন সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় র্যাব-৭ চট্টগ্রাম বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারভুক্ত ও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলাটি ২২ জানুয়ারি দায়ের করা হয়।
র্যাবের ভাষ্য, গত ২৭ মার্চ র্যাব-৭ ও র্যাব-১১ নারায়ণঞ্জ এর যৌথ অভিযানিক দল নোয়াখালীর কবিরহাট থানাধীন নবগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ২৯ নম্বর আসামি মো. পারভেজকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। এদিন পাহাড়তলী থানাধীন উদালিয়া এলাকা থেকে আসামি মো. বেলাল (৩০), বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকা থেকে আসামি সাইদুল ইসলামকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ২৩ মার্চ সীতাকুণ্ড থানাধীন ফৌজদারহাট এলাকা থেকে আসামি মো. মিজানুর রহমান সোহান (১৯), গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাট্টলী এলাকা থেকে আসামি মো. সেলিম (৩৫), গত ১০ ফেব্রুয়ারি চান্দগাঁও থানাধীন ফরিদার পাড়া এলাকা থেকে আসামি মো. সেকেন্দার মিয়া প্রকাশ ইয়াকুব (৪৩), গত ২২ জানুয়ারি বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ইকবাল কনভেনশন হল এলাকা থেকে আসামি মো. ইউনুছ আলী হাওলাদারকে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ইউনুছ আলী হাওলাদারের দেওয়া তথ্যে পতেঙ্গা থানাধীন ওয়াসা গলি এলাকা থেকে মামলার ২৬ নম্বর আসামি খন্দকার জাহিদ হোসেনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া গত ২৪ জানুয়ারি র্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ আভিযানিক দল কক্সবাজার সদর থানাধীন সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি আলীরাজ হাসান প্রকাশ সাগর (২৮), গত ২৫ জানুয়ারি নগরীর খুলশী থানাধীন ইস্পাহানি মোড় এলাকা থেকে মো. মিজান (৫৩), গত ২৬ জানুয়ারি বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন বগুড়া নিবাস এলাকা থেকে পলাতক আসামি মো. মামুন (৩৮), ২৮ জানুয়ারি সীতাকুণ্ড থানাধীন সালেহা কটন মিল এলাকা থেকে পলাতক আসামি মো. শহাজাহান (৫৩), ২৯ জানুয়ারি আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনি এলাকা থেকে পলাতক আসামি মো. শফিকুল ইসলাম প্রকাশ মাস্টার শফিকুল ইসলামকে (৫১) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?