জনগণের রায় উপেক্ষা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না: মুয়াযযম হোসাইন হেলাল

জনগণের প্রত্যাশা ও গণ রায়কে উপেক্ষা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। বরিশাল নগরীর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহানগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি আরও বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে মানুষ শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য জীবন দেয়নি তারা রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে মৌলিক পরিবর্তন চেয়েছিল। সেই প্রত্যাশার ভিত্তিতেই জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন না হওয়ায় মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। জনগণের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। অ্যাডভোকেট হেলাল আরও বলেন, বর্তমানে দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, কর্মসংস্থানের সংকট, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগে অতিষ্ঠ। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। এসব সমস্যা সমাধান এবং জনগণের ন্যায্য দাবি জাতীয় পর্যায়ে জোরালোভাবে তুলে ধরতেই বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বল

জনগণের রায় উপেক্ষা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না: মুয়াযযম হোসাইন হেলাল

জনগণের প্রত্যাশা ও গণ রায়কে উপেক্ষা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।

বরিশাল নগরীর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহানগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি আরও বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে মানুষ শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য জীবন দেয়নি তারা রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে মৌলিক পরিবর্তন চেয়েছিল।

সেই প্রত্যাশার ভিত্তিতেই জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন না হওয়ায় মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। জনগণের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।

অ্যাডভোকেট হেলাল আরও বলেন, বর্তমানে দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, কর্মসংস্থানের সংকট, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগে অতিষ্ঠ। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। এসব সমস্যা সমাধান এবং জনগণের ন্যায্য দাবি জাতীয় পর্যায়ে জোরালোভাবে তুলে ধরতেই বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বরিশালের এই সমাবেশ কোনো একটি দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং গণরায়ের প্রতি সম্মান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অংশ। তাই দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে এতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

সভায় নেতৃবৃন্দরা জানান, আগামী ১৮ জুলাই বিভাগীয় সমাবেশকে সফল করতে বরিশাল বিভাগের জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, মতবিনিময় সভা, পথসভাসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আগত মানুষের যাতায়াত, স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পৃথক উপ-কমিটি কাজ করছে।

প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমীর মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, অধ্যাপক শাহ আলম, অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন দুলাল, মাওলানা মতিউর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি বরিশাল জেলা আহবায়ক আবু সাঈদ মুসা, সদস্য সচিব আবু সাঈদ ফেরদৌস, মহানগর আহবায়ক মিজানুর রহমান, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, এবি পার্টির নেতা ইঞ্জিনিয়ার জিএম রাব্বী, জাগপার সভাপতি মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নান্নু হাওলাদার প্রমুখ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow