জনগণ স্বাগত জানালে যে কারও রাজনীতি করার অধিকার আছে: তারেক রহমান

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সন্তানরা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসে রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যদি কাউকে মানুষ গ্রহণ করে, যদি মানুষ তাদের স্বাগত জানায়, তাহলে যে কারও রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারছে না। অন্যদিকে শেখ হাসিনার পতনের আগে বা পরে তার পরিবারের সদস্যরা এবং দলটির অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। শুক্রবার নির্বাচন এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপির জয়ের বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী। তবে নির্বাচনের পর প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট সরকার গঠনের প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন তারেক রহমান। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব

জনগণ স্বাগত জানালে যে কারও রাজনীতি করার অধিকার আছে: তারেক রহমান

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সন্তানরা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসে রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যদি কাউকে মানুষ গ্রহণ করে, যদি মানুষ তাদের স্বাগত জানায়, তাহলে যে কারও রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারছে না। অন্যদিকে শেখ হাসিনার পতনের আগে বা পরে তার পরিবারের সদস্যরা এবং দলটির অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

শুক্রবার নির্বাচন এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপির জয়ের বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী। তবে নির্বাচনের পর প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট সরকার গঠনের প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান।

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন তারেক রহমান। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।

রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক হাসিনার পতন ঘটে। ঢাকার একটি আদালত গত বছরের এক রায়ে বিক্ষোভ দমনে ভূমিকার জন্য শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। তাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে নয়াদিল্লির সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ এবং ভারতের সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একই সঙ্গে এটি চীনের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

নির্বাচনে জয়ী হলে ভারত থেকে সরে গিয়ে চীনের দিকে ঝুঁকবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, আমাদের এমন অংশীদারদের প্রয়োজন যাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, আমরা যদি সরকারে থাকি, তাহলে আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে হবে যেন নতুন চাকরি সৃষ্টি হয় এবং মানুষ ভালো জীবন যাপন করতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে-ই আমার জনগণ ও দেশের জন্য জুতসই প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই আমরা বন্ধুত্ব রাখবো, নির্দিষ্ট কোনো দেশের সঙ্গে নয়।

টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow