জন্মদিনে জীবনের সেরা সিনেমা দেখে যা বললেন চঞ্চল চৌধুরী

জন্মদিনে সপরিবারে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। গতকাল বিকেলে উত্তরার একটি মাল্টিপ্লেক্সে স্ত্রী শান্তা চৌধুরী ও ছেলে শুদ্ধকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান তিনি। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ওই সিনেমাটিকে তিনি নিজের জীবনের দেখা সেরা সিনেমা অ্যাখ্যায়িত করেছেন। গতকাল (১ জুন) সোমবার রাজধানীর উত্তরার স্টার সিনেপ্লেক্সের সেন্টার পয়েন্ট শাখায় ‘রইদ’ দেখা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চঞ্চল চৌধুরী। তিনি মনে করেন, ‘রইদ’ দেখার নয়, অনুভবের সিনেমা। তিনি বলেন, “আমার সারা জীবনের দেখা সেরা সিনেমাগুলোর একটি হয়ে গেল ‘রইদ’। এটা এমন এক বোধের গল্প যে, রইদ সম্পর্কে বলে বোঝানো খুব কঠিন।” ‘রঈদ’ নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের ভূয়সী প্রশংসা করে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘রইদ দিয়ে ও ওর কাজের কোন লেভেলটা টাচ করলো, এটা আমি বলে বোঝাতে পারব না, আমি খুবই ক্ষুদ্র একজন মানুষ।’ সিনেমাটিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে চঞ্চল বলেন, ‘আমি বোদ্ধা দর্শক না, সাধারণ একজন দর্শক। আমার মনে হয়েছে, প্রত্যেকটা ফ্রেমের ইমোশনগুলা আমি ফিল করতে পেরেছি। সেই জায়গা থেকে রইদ আসলে দেখার সিনেমা না অনুভবের সিনেমা। এই অভিনেতা বলেন, ‘রইদের প্রত্যেকট

জন্মদিনে জীবনের সেরা সিনেমা দেখে যা বললেন চঞ্চল চৌধুরী

জন্মদিনে সপরিবারে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। গতকাল বিকেলে উত্তরার একটি মাল্টিপ্লেক্সে স্ত্রী শান্তা চৌধুরী ও ছেলে শুদ্ধকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান তিনি। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ওই সিনেমাটিকে তিনি নিজের জীবনের দেখা সেরা সিনেমা অ্যাখ্যায়িত করেছেন।

গতকাল (১ জুন) সোমবার রাজধানীর উত্তরার স্টার সিনেপ্লেক্সের সেন্টার পয়েন্ট শাখায় ‘রইদ’ দেখা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চঞ্চল চৌধুরী। তিনি মনে করেন, ‘রইদ’ দেখার নয়, অনুভবের সিনেমা। তিনি বলেন, “আমার সারা জীবনের দেখা সেরা সিনেমাগুলোর একটি হয়ে গেল ‘রইদ’। এটা এমন এক বোধের গল্প যে, রইদ সম্পর্কে বলে বোঝানো খুব কঠিন।”

‘রঈদ’ নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের ভূয়সী প্রশংসা করে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘রইদ দিয়ে ও ওর কাজের কোন লেভেলটা টাচ করলো, এটা আমি বলে বোঝাতে পারব না, আমি খুবই ক্ষুদ্র একজন মানুষ।’ সিনেমাটিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে চঞ্চল বলেন, ‘আমি বোদ্ধা দর্শক না, সাধারণ একজন দর্শক। আমার মনে হয়েছে, প্রত্যেকটা ফ্রেমের ইমোশনগুলা আমি ফিল করতে পেরেছি। সেই জায়গা থেকে রইদ আসলে দেখার সিনেমা না অনুভবের সিনেমা।

এই অভিনেতা বলেন, ‘রইদের প্রত্যেকটা ফ্রেম আমার কাছে মনে হয়েছে একটা পেইন্টিং, প্রত্যেকটা শব্দ আমাকে দ্যোতনা দিচ্ছে, একটা ফিল দিচ্ছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত, একটা সেকেন্ডের জন্য কোথাও আমার মনে হয়নি যে, আমি বোধহয় কিছু পেলাম না। সুমনকে বলব যে, আমাকে একটা কপি অন্তত দিয়ে দে, আমি ভাই এটা দেখতেই থাকি।’

চঞ্চল বলেন, ‘এই মুভির গল্পটা একজন মানব-মানবীর প্রেমের গল্প এবং সেই প্রেমের ভেতর কত মহৎ সময় পার হচ্ছে, কীভাবে মুহূর্তগুলো পার হচ্ছে, সুমন তার চিন্তা মেধা চেষ্টা দিয়ে সেটা অর্জন করেছে। সুমনের আগের ছবিতে (হাওয়া) আমার কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। অনেকে হয় তো হাওয়ার সঙ্গে এটার কম্পেয়ার করার চেষ্টা করতে পারে। আসলে দুটো দুই জিনিস। রইদের সাথে কোনো ছবির কম্পেয়ার করা বোকামি হবে। হাওয়া হাওয়াই, রইদ অন্য মার্গের। সুমনের ম্যাচিউরিটির জায়গায় সুমন আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল রইদ দিয়ে।’

উল্লেখ্য, মুক্তির পর থেকেই ‘রইদ’ দর্শকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখতে দর্শকদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, গাজী রাকায়েত, আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ প্রমুখ।

এমআই/আরএমডি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow