জবিতে বর্ষবরণের প্রথম দিনে শোভাযাত্রা-মেলা-উচ্ছ্বাস

উৎসবমুখর পরিবেশ ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবিতে) প্রথম দিনের বাংলা নববর্ষ উদযাপন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ‘নববর্ষের আবাহন, ঐক্য, শান্তি ও উত্তরণ’ প্রতিপাদ্যে দুদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির সূচনা করা হয়। আগামীকাল বুধবার এ অনুষ্ঠান শেষ হবে। সকাল ৮টায় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু। এরপর ৯টায় ক্যাম্পাসের মূল গেট থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। এটি রায়সাহেব বাজার মোড় ঘুরে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে ও পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বৈশাখী মেলা শুরু হয়, চলে বিকেল পর্যন্ত। আগামীকালও এটি চলবে বলে আয়োজক কমিটি থেকে জানানো হয়। বেলা ১১টায় বিজ্ঞানভবন প্রাঙ্গণে শুরু হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান, চলে দুপুর ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত। জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৪টায় চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ৪টার পর শুরু হয়েছে লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী- সন্ধ্যাকালীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীরা বলেন

জবিতে বর্ষবরণের প্রথম দিনে শোভাযাত্রা-মেলা-উচ্ছ্বাস

উৎসবমুখর পরিবেশ ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবিতে) প্রথম দিনের বাংলা নববর্ষ উদযাপন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ‘নববর্ষের আবাহন, ঐক্য, শান্তি ও উত্তরণ’ প্রতিপাদ্যে দুদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির সূচনা করা হয়। আগামীকাল বুধবার এ অনুষ্ঠান শেষ হবে।

সকাল ৮টায় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু। এরপর ৯টায় ক্যাম্পাসের মূল গেট থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। এটি রায়সাহেব বাজার মোড় ঘুরে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।

jagonews24

সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে ও পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বৈশাখী মেলা শুরু হয়, চলে বিকেল পর্যন্ত। আগামীকালও এটি চলবে বলে আয়োজক কমিটি থেকে জানানো হয়।

বেলা ১১টায় বিজ্ঞানভবন প্রাঙ্গণে শুরু হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান, চলে দুপুর ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত। জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৪টায় চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ৪টার পর শুরু হয়েছে লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী- সন্ধ্যাকালীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

jagonews24

শিক্ষার্থীরা বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে এবার পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশা করছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রতিবছর এ ধারা অব্যাহত রাখবে। এ আয়োজনে সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে এবং তাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, উচ্ছ্বাস ও রঙিন তুলির আঁচড়ে পুরো ক্যাম্পাস এক প্রাণবন্ত উৎসবে রূপ নেয়।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ।

jagonews24

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন বলেন, দুদিনব্যাপী এই প্রথমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠুভাবে প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। আশা করছি, সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়া, জাতি গঠনে অবদান রাখা, অতীতের অনৈক্য কাটিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

টিএইচকিউ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow