জমজমাট গাবতলীর কোরবানির পশুর হাট
একদিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহার কোরবানিকে কেন্দ্র করে এরইমধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট গাবতলী। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে রাজধানীজুড়ে টানা বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত হয়ে যায় পুরো হাট। এমন পরিস্থিতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়লেও থেমে নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা গরু, মহিষ ও ছাগলে সরগরম পুরো হাট। ক্রেতারা খুঁজছেন তাদের পছন্দের কোরবানির পশু। গাবতলীর পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। একের পর এক পশু কিনে ঘরে ফিরছেন নগরীর মানুষজন। হাসিল ঘরের সামনেও জমেছে ভিড়। হাটের বাইরে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা কোরবানির পশুবাহী গাড়ি দাঁড়ানো। বাজারজুড়ে কঠোর নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। টাঙ্গাইল থেকে তিনটি গরু নিয়ে গাবতলীর হাটে এসেছেন হামজা শেখ। তিনি বলেন, ‘দুইটা গরু বিক্রি করেছি। আর একটা আছে। আজ মোটামুটি ক্রেতার উপস্থিত বেশ ভালো।’ পশু নিয়ে নাটোর থেকে গাবতলী হাটে এসেছেন ব্যাপারী হান্নান। তিনি বলেন, ‘ক্রেতা মোটামুটি ভালোই আছে। আমরা এখনো গরু গাড়ি থেকে নামাতে পারিনি। বৃষ্টির কারণে গরু নামাতে দেরি। ক্রেতার উপস্থিত যেমন দেখছি আশা করি গরুগুলো
একদিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহার কোরবানিকে কেন্দ্র করে এরইমধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট গাবতলী।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে রাজধানীজুড়ে টানা বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত হয়ে যায় পুরো হাট। এমন পরিস্থিতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়লেও থেমে নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা গরু, মহিষ ও ছাগলে সরগরম পুরো হাট। ক্রেতারা খুঁজছেন তাদের পছন্দের কোরবানির পশু।
গাবতলীর পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
একের পর এক পশু কিনে ঘরে ফিরছেন নগরীর মানুষজন। হাসিল ঘরের সামনেও জমেছে ভিড়। হাটের বাইরে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা কোরবানির পশুবাহী গাড়ি দাঁড়ানো। বাজারজুড়ে কঠোর নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
টাঙ্গাইল থেকে তিনটি গরু নিয়ে গাবতলীর হাটে এসেছেন হামজা শেখ। তিনি বলেন, ‘দুইটা গরু বিক্রি করেছি। আর একটা আছে। আজ মোটামুটি ক্রেতার উপস্থিত বেশ ভালো।’
পশু নিয়ে নাটোর থেকে গাবতলী হাটে এসেছেন ব্যাপারী হান্নান। তিনি বলেন, ‘ক্রেতা মোটামুটি ভালোই আছে। আমরা এখনো গরু গাড়ি থেকে নামাতে পারিনি। বৃষ্টির কারণে গরু নামাতে দেরি। ক্রেতার উপস্থিত যেমন দেখছি আশা করি গরুগুলো বিক্রি হয়ে যাবে।’
গরু কিনে নিয়ে বাসায় ফিরছেন ইদ্রিস। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি আর কাদায় অবস্থা খারাপ। বাজেটের মধ্যে গরু কিনতে পেরেছি। এখন কোনো ঝামেলা ছাড়া বাসায় ফিরতে পারলেই হয়।’
কেআর/এসএনআর
What's Your Reaction?