জমি নিয়ে বিরোধে ধস্তাধস্তি, একজনের মৃত্যু

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ধস্তাধস্তির ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছেন।  শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের বামন্দ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যু হওয়া ব্যক্তি হলেন— বামন্দ এলাকার আব্দুল হকের ছেলে খোরশেদ আলম (৪৫)। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে খোরশেদ আলমের সঙ্গে একই এলাকার হজরত আলী ও দোয়াত আলীদের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো মীমাংসা হয়নি। শনিবার বিকেলে বিরোধপূর্ণ জমিতে হজরত আলী ও তার লোকজন চাষাবাদ করতে গেলে বিষয়টি জানতে পেরে খোরশেদ আলম সেখানে গিয়ে বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার এক পর্যায়ে খোরশেদ আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলে অচেতন অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবে

জমি নিয়ে বিরোধে ধস্তাধস্তি, একজনের মৃত্যু
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ধস্তাধস্তির ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছেন।  শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের বামন্দ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যু হওয়া ব্যক্তি হলেন— বামন্দ এলাকার আব্দুল হকের ছেলে খোরশেদ আলম (৪৫)। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে খোরশেদ আলমের সঙ্গে একই এলাকার হজরত আলী ও দোয়াত আলীদের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো মীমাংসা হয়নি। শনিবার বিকেলে বিরোধপূর্ণ জমিতে হজরত আলী ও তার লোকজন চাষাবাদ করতে গেলে বিষয়টি জানতে পেরে খোরশেদ আলম সেখানে গিয়ে বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার এক পর্যায়ে খোরশেদ আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলে অচেতন অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমা বেগম কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কালিয়াকৈর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম কালবেলাকে জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে না। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি অচেতন হয়ে পড়ে যান। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow