জরায়ুমুখের ক্যানসার সচেতনতায় ঢামেকে র‍্যালি

জরায়ুমুখের ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢামেকের গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগের গাইনি অনকোলজি ইউনিটের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ঢামেক হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে র‍্যালিটি বের হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারী মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার। তবে সময়মতো এইচপিভি টিকা গ্রহণ করলে এ ক্যানসার সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব। টিকাদানের পাশাপাশি নিয়মিত স্ক্রিনিং ও সময়মতো চিকিৎসার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। র‍্যালি ও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের সংগঠন অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডা. ফিরোজা বেগম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদু

জরায়ুমুখের ক্যানসার সচেতনতায় ঢামেকে র‍্যালি

জরায়ুমুখের ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢামেকের গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগের গাইনি অনকোলজি ইউনিটের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ঢামেক হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে র‍্যালিটি বের হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারী মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার। তবে সময়মতো এইচপিভি টিকা গ্রহণ করলে এ ক্যানসার সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব। টিকাদানের পাশাপাশি নিয়মিত স্ক্রিনিং ও সময়মতো চিকিৎসার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

র‍্যালি ও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের সংগঠন অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডা. ফিরোজা বেগম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, উপাধ্যক্ষ ও গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. মুসাররাত সুলতানা, অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেসা, গাইনি অনকোলজি ইউনিটের প্রধান প্রফেসর ডা. এস এম সাহিদা, ঢামেকের উপ-পরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলমসহ গাইনি বিভাগের অন্যান্য চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সরা।

বক্তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০৩০ সালের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যানসার নির্মূলে ৯০ শতাংশ টিকাদান, ৭০ শতাংশ স্ক্রিনিং এবং ৯০ শতাংশ আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ক্যানসার আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসা-পরবর্তী জীবনের গল্প তুলে ধরার মাধ্যমেও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। উপ-পরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম হাসপাতাল ভিত্তিক কার্যক্রমের পাশাপাশি কমিউনিটি পর্যায়ে জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ছাড়া ডা. মির্জা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, ঢাকা মেডিকেলে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় আধুনিক সব ধরনের সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. রিফাত আরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ডা. আশফী লায়লা ইলোরা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ও গাইনি অনকোলজি ইউনিটের সদস্য ডা. মির্জা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

কাজী আল-আমিন/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow