জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ। বিশেষ করে মালদ্বীপ সরকারের উচ্চাভিলাষী ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রি প্রজেক্ট’ (৫০ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সব ধরনের কারিগরি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে। মালদ্বীপের স্বাধীনতার ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে হুলহুমালের সেন্ট্রাল পার্কে আয়োজিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম এই আশ্বাসের কথা জানান। রোববার (১৫ জুন) মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী ড. আলী শরীফসহ দেশটির উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট এককভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ।
বিশেষ করে মালদ্বীপ সরকারের উচ্চাভিলাষী ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রি প্রজেক্ট’ (৫০ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সব ধরনের কারিগরি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে।
মালদ্বীপের স্বাধীনতার ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে হুলহুমালের সেন্ট্রাল পার্কে আয়োজিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম এই আশ্বাসের কথা জানান।
রোববার (১৫ জুন) মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী ড. আলী শরীফসহ দেশটির উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট এককভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা অপরিহার্য।
মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে হাইকমিশনার বনায়ন ও জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষা, ম্যানগ্রোভ বন সংরক্ষণ এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সফল মডেল ও কারিগরি জ্ঞান মালদ্বীপের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন ‘বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ উভয় দেশের জনগণের জীবন-জীবিকা জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় দুই দেশের একযোগে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই।’
আলোচনায় উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে জলবায়ু গবেষণা, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, যৌথ বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু ফোরামগুলোতে সমন্বিতভাবে দ্বিপাক্ষিক কূটনীতি জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন মনে করে, মালদ্বীপের এই পরিবেশগত উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কেবল দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককেই সুদৃঢ় করবে না, বরং জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
এমআরএম
What's Your Reaction?