জাতীয় ছাত্রশক্তি নেতার পদত্যাগ

জাতীয় ছাত্রশক্তি গাইবান্ধা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শরিফুল ইসলাম আকাশ। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক বরাবর এ পদত্যাগপত্র পাঠানো হয়। জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর পাঠানো পদত্যাগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় ছাত্রশক্তি গাইবান্ধা জেলার অন্যতম একজন সংগঠক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সাংগঠনিক সভা আয়োজন, জুলাই-আগস্টে আহতদের খোঁজখবর নেওয়া এবং শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ছিলাম। পদত্যাগ পত্রে তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ঘোষিত গাইবান্ধা জেলা আহ্বায়ক এমন একজনকে আহ্বায়ক করা হয়েছে, তিনি কখনোই জাতীয় ছাত্রশক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং তার ছাত্রত্বও নেই। বরং তিনি অতীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জাতীয় ছাত্রশক্তির বিরোধিতায় সক্রিয় ছিলেন।  তিনি আরও জানান, রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাকে ফোন করে কমিটির বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেন এবং ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। ওই দাবি প্রত্যাখ্যান

জাতীয় ছাত্রশক্তি নেতার পদত্যাগ

জাতীয় ছাত্রশক্তি গাইবান্ধা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শরিফুল ইসলাম আকাশ। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক বরাবর এ পদত্যাগপত্র পাঠানো হয়।

জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর পাঠানো পদত্যাগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় ছাত্রশক্তি গাইবান্ধা জেলার অন্যতম একজন সংগঠক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সাংগঠনিক সভা আয়োজন, জুলাই-আগস্টে আহতদের খোঁজখবর নেওয়া এবং শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ছিলাম।

পদত্যাগ পত্রে তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ঘোষিত গাইবান্ধা জেলা আহ্বায়ক এমন একজনকে আহ্বায়ক করা হয়েছে, তিনি কখনোই জাতীয় ছাত্রশক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং তার ছাত্রত্বও নেই। বরং তিনি অতীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জাতীয় ছাত্রশক্তির বিরোধিতায় সক্রিয় ছিলেন। 

তিনি আরও জানান, রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাকে ফোন করে কমিটির বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেন এবং ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করা হয় এবং পরবর্তীতে প্রস্তাবিত কমিটি বাতিল করে নতুন করে মেহেদি হাসানকে আহ্বায়ক করে কমিটি প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হলেও কেউ দায় স্বীকার করেনি।

শরিফুল ইসলাম আকাশ বলেন, অযোগ্য নেতৃত্ব অর্থের বিনিময়ে কমিটিকে প্রাধান্য দিয়ে গাইবান্ধা জেলায় নেতৃত্ব দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। জুলাই মাসে আমার জেলায় ৬ জন শহীদ হয়েছেন এবং প্রায় ৩০০ জন আহত হয়েছেন। সেই চেতনার বিরুদ্ধে গিয়ে আপস আমি করতে পারি না।

পদত্যাগ পত্রে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আহ্বায়ক কমিটি গঠনে অর্থ লেনদেন হয়েছে কিনা তা তদন্তের দাবি জানান এবং যোগ্যতা, সততা ও ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে কমিটি সংশোধনের আহ্বান জানান।  

জাতীয় ছাত্রশক্তি গাইবান্ধা জেলা কমিটির আহ্বায়ক মেহেদি হাসান কালবেলাকে বলেন, জুলাই-আগস্টে আমার ভূমিকা গাইবান্ধাবাসী ও জুলাই যোদ্ধারা দেখেছে। আমার ছাত্রত্ব নেই এটি ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছেন একটি কুচক্রী মহল। তবে সকল চক্রান্তের অবসান ঘটবে, ইনশাহআল্লাহ। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow