জাতীয় পরিচয়পত্র পেলেন সেই জনমদুখী আনোয়ারা

খাবার আর ওষুধের পয়সা জোগাতে ৬৫ বছর বয়সেও ইট ভাঙার কাজ করা নারায়ণগঞ্জের আনোয়ারা বেগম অবশেষে জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন। জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস থেকে তার আইডি কার্ডটি বের করে দেওয়া হয়েছে। ৭ মে ‘জনমদুখী আনোয়ারার খাবার-ওষুধের খরচ চলে ইট ভেঙে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। এরপরই (নাসিক) ১ নম্বর ওয়ার্ডের সচিবের সহযোগিতায় এর সমাধান হয়। প্রকাশিত ওই নিউজে বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম ভোটার আইডি কার্ডের অভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘ভোটার হওয়া সত্বেও আমার ভোটার আইডি কার্ড নেই। আমি ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হয়েছি এবং প্রাথমিক অবস্থায় ভোটারদের যে স্লিপ দেওয়া হয় সেটা আমাকে দেওয়া হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই স্লিপটি হারিয়ে গেছে। মূলত স্লিপের কাগজটা আমার ঘরে রাখা ছিল। ২০১৩ সালে আমার স্বামী রেফাজ উদ্দিন মারা যাওয়ার পর তার মরদেহ নিয়ে গ্রামে যাই, এরপর তিনমাস পরে ফিরে আসার ওর আর ওই কাগজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে স্লিপ না থাকায় ভোটার আইডি কার্ড পাইনি। যদি ভোটার আইডি কার্ড থাকতো বয়স্ক ভাতা অথবা সরকারি কিছু অনুদান পেতাম।’ তিনি বলেন,

জাতীয় পরিচয়পত্র পেলেন সেই জনমদুখী আনোয়ারা

খাবার আর ওষুধের পয়সা জোগাতে ৬৫ বছর বয়সেও ইট ভাঙার কাজ করা নারায়ণগঞ্জের আনোয়ারা বেগম অবশেষে জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন।

জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস থেকে তার আইডি কার্ডটি বের করে দেওয়া হয়েছে।

৭ মে ‘জনমদুখী আনোয়ারার খাবার-ওষুধের খরচ চলে ইট ভেঙে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। এরপরই (নাসিক) ১ নম্বর ওয়ার্ডের সচিবের সহযোগিতায় এর সমাধান হয়।

প্রকাশিত ওই নিউজে বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম ভোটার আইডি কার্ডের অভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন বলে জানিয়েছিলেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র পেলেন সেই জনমদুখী আনোয়ারা

তিনি বলেন, ‘ভোটার হওয়া সত্বেও আমার ভোটার আইডি কার্ড নেই। আমি ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হয়েছি এবং প্রাথমিক অবস্থায় ভোটারদের যে স্লিপ দেওয়া হয় সেটা আমাকে দেওয়া হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই স্লিপটি হারিয়ে গেছে। মূলত স্লিপের কাগজটা আমার ঘরে রাখা ছিল। ২০১৩ সালে আমার স্বামী রেফাজ উদ্দিন মারা যাওয়ার পর তার মরদেহ নিয়ে গ্রামে যাই, এরপর তিনমাস পরে ফিরে আসার ওর আর ওই কাগজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে স্লিপ না থাকায় ভোটার আইডি কার্ড পাইনি। যদি ভোটার আইডি কার্ড থাকতো বয়স্ক ভাতা অথবা সরকারি কিছু অনুদান পেতাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি ভোটার আইডি কার্ডের জন্যে কয়েক জায়গায় যোগাযোগ করলেও তারা আমাকে আগারগাঁও যেতে বলেছে। কিন্তু আগারগাঁও না চেনায় আমি যেতে পারিনি।’

এ বিষয়ে ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের অবর্তমানে নাগরিক সেবার দায়িত্বে নিয়োজিত সচিব হজরত আলী বলেন, আমার ওয়ার্ডে যারা ভোটার হয়েছেন স্লিপ ছাড়াও তাদের আইডি কার্ড বের করা সম্ভব। বৃদ্ধা আনোয়ারা ইতোপূর্বে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলে তারটি হয়নি। আপনারা (জাগো নিউজ) যোগাযোগ করার পর আমি তার কার্ড বের করেছি, এখন উনি নারায়ণগঞ্জস্থ নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গিয়ে স্মার্ট কার্ড নিয়ে আসতে পারবেন।

মো. আকাশ/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow