জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট মিমু আর নেই, ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া
বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, বিকেএসপির সাবেক উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট শামিমা সাত্তার মিমু আর নেই। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে ঢাকায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই হৃদরোগ ও ভার্টিগোজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন শামিমা মিমু। কয়েকমাস আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এ সময় হাঁটাচলা ও মানুষ চিনতে সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি। পরে কিছুটা সুস্থ হলেও শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন তিনি। মরহুমার শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী তাকে দিনাজপুরে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে। এজন্য ঢাকা থেকে তার মরদেহ দিনাজপুরে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা শামিমা মিমু একাধারে প্রশিক্ষক ও বিচারক হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও কর্মসূচিতে দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় অ্যাথলেটিক্স হাইজাম্পে দীর্ঘদিন আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন তিনি। পাশাপাশি স্
বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, বিকেএসপির সাবেক উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট শামিমা সাত্তার মিমু আর নেই। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে ঢাকায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই হৃদরোগ ও ভার্টিগোজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন শামিমা মিমু। কয়েকমাস আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এ সময় হাঁটাচলা ও মানুষ চিনতে সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি। পরে কিছুটা সুস্থ হলেও শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন তিনি। মরহুমার শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী তাকে দিনাজপুরে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে। এজন্য ঢাকা থেকে তার মরদেহ দিনাজপুরে নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা শামিমা মিমু একাধারে প্রশিক্ষক ও বিচারক হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও কর্মসূচিতে দায়িত্ব পালন করেন।
জাতীয় অ্যাথলেটিক্স হাইজাম্পে দীর্ঘদিন আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন তিনি। পাশাপাশি স্প্রিন্টেও জিতেছেন একাধিক পদক। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০০ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পান।
তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তা, কোচ, অ্যাথলেট ও সংশ্লিষ্ট সকলেই গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
What's Your Reaction?