জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে আগের আইনটি বাতিল করা হলো, যার আওতায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও তা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হলেও তা কখনোই কার্যকর করা হয়নি। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি বর্তমানে চলমান থাকায়, সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ থাকবে। প্রস্তাবিত আইনের আওতায় বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিকবিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞা

জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে আগের আইনটি বাতিল করা হলো, যার আওতায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও তা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হলেও তা কখনোই কার্যকর করা হয়নি। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি বর্তমানে চলমান থাকায়, সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ থাকবে।

প্রস্তাবিত আইনের আওতায় বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিকবিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং জ্ঞানের অন্যান্য উদীয়মান ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow