জাপানের সংসদ ভবনে শৌচাগার সংকটে নারী সদস্যরা

জাপানের সংসদে নারী সদস্যের সংখ্যা বাড়ায় নারীদের টয়লেট সংকটের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনে নারীদের জন্য আরও টয়লেট স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। এতে ৫০ জনের বেশি নারী আইনপ্রণেতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর সংসদের নারী সদস্যরা একটি যৌথ আবেদন জমা দেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে টোকিওর পুরুষপ্রধান হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে বর্তমানে ৭৩ জন নারী সদস্যের জন্য মাত্র দুটি টয়লেট রয়েছে। ফলে অধিবেশন শুরুর আগে নারী সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বিরোধী দল কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (সিডিপি) তথ্য অনুযায়ী, সাতটি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র গোষ্ঠীর মোট ৫৮ জন আইনপ্রণেতা এই দাবির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত তাকাইচি এই আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। সিডিপির নারী সংসদ সদস্য ইয়াসুকো কোমিয়ামা বলেছেন, মূল অধিবেশন শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক নারী আইনপ্রণেতাকে নারী টয়লেটের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। জাপান সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে রক্ষণশীল একটি দেশ যেখানে রাজনীতি ও কর্মক্ষেত্র দীর্ঘদিন ধরেই ব

জাপানের সংসদ ভবনে শৌচাগার সংকটে নারী সদস্যরা

জাপানের সংসদে নারী সদস্যের সংখ্যা বাড়ায় নারীদের টয়লেট সংকটের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনে নারীদের জন্য আরও টয়লেট স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। এতে ৫০ জনের বেশি নারী আইনপ্রণেতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর সংসদের নারী সদস্যরা একটি যৌথ আবেদন জমা দেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে টোকিওর পুরুষপ্রধান হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে বর্তমানে ৭৩ জন নারী সদস্যের জন্য মাত্র দুটি টয়লেট রয়েছে। ফলে অধিবেশন শুরুর আগে নারী সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

বিরোধী দল কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (সিডিপি) তথ্য অনুযায়ী, সাতটি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র গোষ্ঠীর মোট ৫৮ জন আইনপ্রণেতা এই দাবির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত তাকাইচি এই আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন।

সিডিপির নারী সংসদ সদস্য ইয়াসুকো কোমিয়ামা বলেছেন, মূল অধিবেশন শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক নারী আইনপ্রণেতাকে নারী টয়লেটের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

জাপান সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে রক্ষণশীল একটি দেশ যেখানে রাজনীতি ও কর্মক্ষেত্র দীর্ঘদিন ধরেই বয়স্ক পুরুষদের নিয়ন্ত্রণে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সর্বশেষ গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ সূচকে ১৪৮ দেশের মধ্যে জাপানের অবস্থান ১১৮তম।

গত বছর প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির নির্বাচনের পাশাপাশি সংসদে নারী সদস্যের সংখ্যা বেড়ে ৭৩-এ দাঁড়িয়েছে। তবে এখনো হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে নারী সদস্যের হার ১৬ শতাংশেরও কম বলে জানিয়েছে আইপিইউ পারলাইন।

উল্লেখ্য, টোকিওর ন্যাশনাল ডায়েট ভবনটি ১৯৩৬ সালে নির্মিত হয়। জাপানে ১৯৪৫ সালে নারীরা ভোটাধিকার পান এবং এর এক বছর পর দেশটিতে প্রথম নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়।

সূত্র : সিএনএন

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow