জাবিতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা। ‘চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২’ উপলক্ষে এ আয়োজন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রংপুকুরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই ভেলা বাইচের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আহসান। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি হল থেকে ২ জন করে মোট ২২ জন প্রতিনিধি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে শহীদ সালাম-বরকত হল, দ্বিতীয় স্থান নবাব সলিমুল্লাহ হল এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে কামাল উদ্দিন হল। বিজয়ী তিন হলের প্রতিনিধিদের যথাক্রমে রাজহাঁস, মুরগি ও একজোড়া কবুতর পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি প্রয়াস। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত

জাবিতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা। ‘চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২’ উপলক্ষে এ আয়োজন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রংপুকুরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই ভেলা বাইচের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আহসান। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি হল থেকে ২ জন করে মোট ২২ জন প্রতিনিধি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে শহীদ সালাম-বরকত হল, দ্বিতীয় স্থান নবাব সলিমুল্লাহ হল এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে কামাল উদ্দিন হল। বিজয়ী তিন হলের প্রতিনিধিদের যথাক্রমে রাজহাঁস, মুরগি ও একজোড়া কবুতর পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়।

আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি প্রয়াস। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করবে।

উপাচার্য ড. মো. কামরুল আহসান বলেন, ‘পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে আমরা নতুন বছরে পদার্পণ করছি। এ ধরনের আয়োজন আমাদের পারস্পরিক বন্ধনকে আরো দৃঢ় করে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও জাকসু সবাই মিলে আগামী দিনগুলোতেও একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow