জাবিতে জুলাইয়ে হামলা : শাস্তি কমলো নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৬ নেতাকর্মীর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি পুনর্বিবেচনা করে কয়েকজনকে অব্যাহতি দিয়েছে এবং কয়েকজনের শাস্তির মেয়াদ কমিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার (১৬ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের দীর্ঘ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে মোট ৪৩ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তির বিষয় পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্থায়ী বহিষ্কারপ্রাপ্ত ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আটজনের স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ কমিয়ে দুই বছর এবং পাঁচজনের শাস্তি কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে। বাকি তিনজনের ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। উপাচার্য আরও জানান, দুই বছরের জন্য বহিষ্কৃত আট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্য দুইজনের বিরুদ্ধে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। এদিকে সনদ বাতিলসংক্রান্ত ১২টি সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা কর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি পুনর্বিবেচনা করে কয়েকজনকে অব্যাহতি দিয়েছে এবং কয়েকজনের শাস্তির মেয়াদ কমিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (১৬ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের দীর্ঘ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে মোট ৪৩ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তির বিষয় পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, স্থায়ী বহিষ্কারপ্রাপ্ত ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আটজনের স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ কমিয়ে দুই বছর এবং পাঁচজনের শাস্তি কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে। বাকি তিনজনের ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
উপাচার্য আরও জানান, দুই বছরের জন্য বহিষ্কৃত আট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্য দুইজনের বিরুদ্ধে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
এদিকে সনদ বাতিলসংক্রান্ত ১২টি সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চারজনের ক্ষেত্রে এক বছরের জন্য এবং তিনজনের ক্ষেত্রে দুই বছরের জন্য সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে উপাচার্য বলেন, ‘প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী সিন্ডিকেট সভায় অভিযোগ, আপিল ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রতিটি বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। সেই আলোকে কোথাও শাস্তি হ্রাস করা হয়েছে, আবার কোথাও পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।’
তবে শাস্তি কমানো বা অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সচিব জানান, সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে চূড়ান্ত তালিকা পাওয়ার পর তা প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বহিষ্কার, সনদ বাতিলসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তীতে অভিযুক্তদের করা আপিলের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট এসব সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে।
What's Your Reaction?