জামায়াতের এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আবেদন বিএনপির
জামায়াতের জেলা আমির ও সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের মনোনয়নপত্রে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে মনোনয়ন বাতিল এবং প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছে সিলেট মহানগর বিএনপি। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. সারওয়ার আলমের কাছে এ অভিযোগপত্র জমা দেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান তার দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি কোনো কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার নন এবং কোনো ধরনের ঋণ বা দায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তবে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC)-এর নথি অনুযায়ী তিনি ‘ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেড’-এর পরিচালক এবং ‘আল হারামাহ মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড’-এর শেয়ারহোল্ডার। ফলে তার হলফনামায় দেওয়া তথ্য সত্য নয় এবং বিভ্রান্তিকর। আরও উল্লেখ করা হয়, ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেড বিভিন্ন ব্যাংক ও আ
জামায়াতের জেলা আমির ও সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের মনোনয়নপত্রে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে মনোনয়ন বাতিল এবং প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছে সিলেট মহানগর বিএনপি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. সারওয়ার আলমের কাছে এ অভিযোগপত্র জমা দেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান তার দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি কোনো কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার নন এবং কোনো ধরনের ঋণ বা দায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তবে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC)-এর নথি অনুযায়ী তিনি ‘ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেড’-এর পরিচালক এবং ‘আল হারামাহ মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড’-এর শেয়ারহোল্ডার। ফলে তার হলফনামায় দেওয়া তথ্য সত্য নয় এবং বিভ্রান্তিকর।
আরও উল্লেখ করা হয়, ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেড বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৪ কোটি ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৮ টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে, যা বর্তমানে বকেয়া রয়েছে। অথচ এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রার্থী তার হলফনামায় উল্লেখ করেননি।
সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদান দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮১ ও ১৯৩ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটি নির্বাচন আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার পরিপন্থি।
লোদী আরও বলেন, প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন। এ কারণে আমরা তার মনোনয়নপত্র বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবেদন জানিয়েছি।
এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের মতামত জানতে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
What's Your Reaction?