জামায়াত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদকে বিএনপি নেতার হুঁশিয়ারি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পটুয়াখালীর বাউফলের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা হাজি পলাশ। তিনি বাউফল পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে উদ্দেশ্য করে এ হুঁশিয়ারি দেন হাজি পলাশ। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, মিস্টার মাসুদ সাহেব, পরিষ্কার হুঁশিয়ারি দিয়ে দিচ্ছি, আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাববেন না। অবিলম্বে আমাদের নেতাদের নিয়ে এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন। অন্যথায় বাউফলের পরিস্থিতি আপনাদের অনুকূলে থাকবে না। এর দাঁতভাঙা জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে। আরও লেখেন, বাউফলের জামায়াতের এমপি মাসুদ সাহেব এবং তার কর্মীরা আমাদের বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নিয়ে যেভাবে কুরুচিপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিচ্ছেন, আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানান নেটিজেনরা। বাইজিদ মাতুব্বর নামে একজন ব্যঙ্গাত্মক সুরে মন্তব্য করেন, সবাই সাবধান, মিস্টার পলাশ ভাই পরিষ্কার হুঁশি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পটুয়াখালীর বাউফলের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা হাজি পলাশ। তিনি বাউফল পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে উদ্দেশ্য করে এ হুঁশিয়ারি দেন হাজি পলাশ।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, মিস্টার মাসুদ সাহেব, পরিষ্কার হুঁশিয়ারি দিয়ে দিচ্ছি, আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাববেন না। অবিলম্বে আমাদের নেতাদের নিয়ে এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন। অন্যথায় বাউফলের পরিস্থিতি আপনাদের অনুকূলে থাকবে না। এর দাঁতভাঙা জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে।
আরও লেখেন, বাউফলের জামায়াতের এমপি মাসুদ সাহেব এবং তার কর্মীরা আমাদের বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নিয়ে যেভাবে কুরুচিপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিচ্ছেন, আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানান নেটিজেনরা।
বাইজিদ মাতুব্বর নামে একজন ব্যঙ্গাত্মক সুরে মন্তব্য করেন, সবাই সাবধান, মিস্টার পলাশ ভাই পরিষ্কার হুঁশিয়ারি দিয়ে দিয়েছেন। যে যেখানে আছেন, সবাই গর্তে ঢুকে পড়ুন।
কামরুজ্জামান আকিল নামে একজন লেখেন, এমপিকে নিয়ে চিন্তা করে কী লাভ?
হাসিবুল হাসান রুবেল মন্তব্য করেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি কোনো দলের কর্মী, সমর্থক ও নেতাদের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। শালীনতা বজায় রেখে কথা বলা আমাদের সবারই উচিত।
মো. সাকিরুল ইসলাম লেখেন, বাউফলের মাটি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ঘাঁটি। এই ঘাঁটি যদি জামায়াতের দখলে যায় এবং এখানে জামায়াত-শিবিরের শক্ত অবস্থান তৈরি হয়, তাহলে সবার কপালেই দুঃখ আছে। আগে বাউফলে জামায়াতের তেমন সংগঠন ছিল না। অথচ ৫ আগস্টের পর এত জামায়াত-শিবির তৈরি হলো কীভাবে এবং এতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোনো ভূমিকা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
ফরাজী নামে একজন মন্তব্য করেন, বিএনপির ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
গোলাম মোস্তফা জাহিদ লেখেন, জামায়াত-শিবিরের এই সুযোগগুলো বাউফলের সিনিয়র নেতারাই করে দিয়েছেন। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তারা যতটা অপদস্ত হয়েছেন, এখন তার চেয়ে অনেক বেশি হচ্ছেন। নেতাদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সুফল না পাওয়ায় ত্যাগী কর্মীরা এখন মান-সম্মান নিয়ে ঘরে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবছেন।
এ বিষয়ে বাউফলের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং বাউফল পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ পলাশের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?