জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ কৃষ্ণ নন্দীর

খুলনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ওপর হামলা ও প্রচার মাইক ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন দলটির প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে কৃষ্ণ নন্দী বলেন, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার আমীরপুর ইউনিয়নের জয়পুর বাজারে মাইকে প্রচারকালে বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম খান জনির নেতৃত্বে ১৫-২০ জন পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালান। এসময় তারা প্রচার মাইক কেড়ে নেন এবং জামায়াত কর্মী আরিফুল ইসলাম ও সেকমত আলীকে মারধর করেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জামায়াতের ওপর ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা হলে তার দায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার বহন করতে হবে। এ বিষয়ে কৃষ্ণ নন্দীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন ঢাকার পথে। এখনো কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার এরকম একটি ঘটনার বিষয়ে তারা জানায়। তবে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। পরে জানতে পারি যে, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলে তারা নিজেরা মিটমাট করেছে। বটিয়াঘাটার উপজেলা নির্ব

জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ কৃষ্ণ নন্দীর

খুলনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ওপর হামলা ও প্রচার মাইক ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন দলটির প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষ্ণ নন্দী বলেন, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার আমীরপুর ইউনিয়নের জয়পুর বাজারে মাইকে প্রচারকালে বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম খান জনির নেতৃত্বে ১৫-২০ জন পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালান। এসময় তারা প্রচার মাইক কেড়ে নেন এবং জামায়াত কর্মী আরিফুল ইসলাম ও সেকমত আলীকে মারধর করেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতের ওপর ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা হলে তার দায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার বহন করতে হবে।

এ বিষয়ে কৃষ্ণ নন্দীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন ঢাকার পথে। এখনো কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার এরকম একটি ঘটনার বিষয়ে তারা জানায়। তবে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। পরে জানতে পারি যে, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলে তারা নিজেরা মিটমাট করেছে।

বটিয়াঘাটার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের কাছে সরাসরি কেউ অভিযোগ করেননি। তবে এ বিষয়ে মিটমাট হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরিফুর রহমান/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow