জামায়াত দুর্নীতি করেন না, করতেও দেবে না: এটিএম আজহারুল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, দুর্নীতি বন্ধ হলেই দেশের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। জামায়াত দুর্নীতি করেন না, করতেও দিবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে যদি জামায়াত দেশ সেবার সুযোগ পায়, তাহলে প্রথমেই দুর্নীতি বন্ধ করবে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নীলফামারী সদরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, দেশ থেকে পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে। এই পারিবারিক শাসন দিয়ে এদেশের জনগণের কোনো কল্যাণ হয়নি। এ দেশে সম্পদের কোনো অভাব নেই। অভাব থাকলে গত ১৬ বছরে ২৭ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হতো না। একটি গরিব দেশে এত টাকা থাকতে পারে না। তিনি বলেন, আমাদের দেশ দরিদ্র নয়, আমাদের আসল অভাব যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের। গত ৫৪ বছর ধরে দুর্নীতিপরায়ণ নেতৃত্ব দেশ শাসন করে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিগত সরকার ব্যাংকগুলো লুটপাট করেছে, যার ফলে আজ অনেক অফিসের কর্মচারীদের বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী তিনটি মন্ত্রণালয় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন। পরবর্তী

জামায়াত দুর্নীতি করেন না, করতেও দেবে না: এটিএম আজহারুল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, দুর্নীতি বন্ধ হলেই দেশের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। জামায়াত দুর্নীতি করেন না, করতেও দিবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে যদি জামায়াত দেশ সেবার সুযোগ পায়, তাহলে প্রথমেই দুর্নীতি বন্ধ করবে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নীলফামারী সদরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, দেশ থেকে পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে। এই পারিবারিক শাসন দিয়ে এদেশের জনগণের কোনো কল্যাণ হয়নি। এ দেশে সম্পদের কোনো অভাব নেই। অভাব থাকলে গত ১৬ বছরে ২৭ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হতো না। একটি গরিব দেশে এত টাকা থাকতে পারে না।

তিনি বলেন, আমাদের দেশ দরিদ্র নয়, আমাদের আসল অভাব যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের। গত ৫৪ বছর ধরে দুর্নীতিপরায়ণ নেতৃত্ব দেশ শাসন করে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিগত সরকার ব্যাংকগুলো লুটপাট করেছে, যার ফলে আজ অনেক অফিসের কর্মচারীদের বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী তিনটি মন্ত্রণালয় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন। পরবর্তী সময়ে প্রায় সব রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হলেও আমাদের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে একটি টাকার দুর্নীতিও কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। আমরা সেই সৎ ও যোগ্য নেতাদেরই উত্তরসূরি।

এ সময় মাওলানা আব্দুল হালিম, রংপুর দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুর রশিদ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ জাকসু, চাকসু ও চকসুর নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আমিরুল হক/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow