জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ায় ইকুয়েডরে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান। শক্তিশালী জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইকুয়েডর। ঐতিহাসিক এই জয়ের আনন্দে দেশজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হওয়ায় পরের দিনকে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে অর্জিত এই জয় ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নোবোয়া লিখেছেন, ‘যেসব খেলোয়াড় ও কোচ সমালোচনা, অপমান আর কঠিন সময়ের পরও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এবং পুরো দেশে এই বিশাল আনন্দ এনে দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ। আগামীকাল ছুটি! ইকুয়েডর দীর্ঘজীবী হোক।’
ম্যাচের শুরুটা ছিল ইকুয়েডরের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। মাত্র দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেন জার্মানির লেরয় সানে। তবে গোলটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। গোলের আগে আলেক্সান্ডার পাভলোভিচ ইকুয়েডরের মিডফিল্ডার পেদ্রো ভিতেকে উঁচু বুটে লাগিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। ইকুয়েডর ফাউলের প্রতিবাদ করলেও রেফারি টোরি পেনসো গোল বহাল রাখেন এবং ভিএআরও হস্তক্ষেপ করেনি।
সেই ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াল ইকুয়েডর। সাত মিনিটের মধ্যে ভিতে বল কেড়ে নেন। নিলসন আঙ্গুলো বক্সের বাইরে থেক
দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান। শক্তিশালী জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইকুয়েডর। ঐতিহাসিক এই জয়ের আনন্দে দেশজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হওয়ায় পরের দিনকে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে অর্জিত এই জয় ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নোবোয়া লিখেছেন, ‘যেসব খেলোয়াড় ও কোচ সমালোচনা, অপমান আর কঠিন সময়ের পরও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এবং পুরো দেশে এই বিশাল আনন্দ এনে দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ। আগামীকাল ছুটি! ইকুয়েডর দীর্ঘজীবী হোক।’
ম্যাচের শুরুটা ছিল ইকুয়েডরের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। মাত্র দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেন জার্মানির লেরয় সানে। তবে গোলটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। গোলের আগে আলেক্সান্ডার পাভলোভিচ ইকুয়েডরের মিডফিল্ডার পেদ্রো ভিতেকে উঁচু বুটে লাগিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। ইকুয়েডর ফাউলের প্রতিবাদ করলেও রেফারি টোরি পেনসো গোল বহাল রাখেন এবং ভিএআরও হস্তক্ষেপ করেনি।
সেই ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াল ইকুয়েডর। সাত মিনিটের মধ্যে ভিতে বল কেড়ে নেন। নিলসন আঙ্গুলো বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শট নেন। বলটি পাভলোভিচের পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে ঢোকে। এটি ছিল এই বিশ্বকাপে ইকুয়েডরের প্রথম গোল এবং তাদের টুর্নামেন্টের ৪০তম শটে আসা প্রথম সাফল্য।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জার্মানি পেনাল্টির দাবি তোলে। কাই হ্যাভার্টজ বক্সে পড়ে যান। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বাতিল হয়। কারণ বিল্ড-আপে সানে নিজেই ফাউল করেছিলেন।
৬৪ মিনিটে মাঠে আসেন কেভিন রদ্রিগেজ। ৭৭ মিনিটে কর্নার থেকে তাঁর হেড ফ্লিক পেন এলাকার ভেতরে যায়। সবার আগে পৌঁছান গনজালো প্লাতা। তিনি পা বাড়িয়ে বলটি জালে ঠেলে দেন। ইকুয়েডরের বেঞ্চে রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটে।
এরপর ১০ মিনিটেরও বেশি সময় টিকে থাকতে হয়েছে। জার্মানি সমতার জন্য একের পর এক আক্রমণ করেছে। ইকুয়েডর রক্ষণ গুটিয়ে প্রতিটি বল ঠেকিয়েছে। শেষ বাঁশি বাজতেই মাঠে লুটিয়ে পড়েন ইকুয়েডরের খেলোয়াড়রা। গ্যালারিতে সমর্থকরা মেতে ওঠেন আনন্দে।
উল্লেখ্য, জার্মানি এই ম্যাচে আগেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নিশ্চিত করে এসেছিল। ইকুয়েডর আগের দুই ম্যাচে একটিও গোল করতে পারেনি এবং গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের মুখে ছিল।