জার্মানির বিদায়, রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকার জিতে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ৩০ মিনিটেও ফল বের হয়নি। জার্মান ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচটি ১-১ সমতাতেই থেকে যায়। ফলে টাইব্রেকারে গড়ায় লড়াই। রুদ্ধশ্বাস সেই লড়াইয়ে ৪-৩ ব্যবধানে জিতেছে প্যারাগুয়ে। ফলে তারা নাম লিখিয়েছে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে। বিদায় হয়ে গেছে চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির। টাইব্রেকারে প্রথম শটেই পিছিয়ে পড়ে জার্মানি। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে কাই হাভার্টজের শট ঠেকিয়ে দেন প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক অরলান্ডো গিল। এরপরের দুই শটে গোল করলেও চতুর্থ শটে আবার মিস জার্মানির নিক ওলটেরমেডের। জবাবে প্যারাগুয়ের আন্তোনিও সানাব্রিয়াওর গোল আটকে দেন ম্যানুয়েল নয়্যার। আবারও এক গোলে পিছিয়ে থাকে জার্মানি। পরে জার্মানির নাদিম আমেরি গোল করলে শেষ শটে প্যারাগুয়ের জেতার সুযোগ ছিল। কিন্তু এবার নয়্যার ফিরিয়ে দেন ফ্যাবিয়েন বুলবেনার শট। ৩-৩ হয় পেনাল্টিতে। কিন্তু এরপর জার্মানির জোনাথান তাহ মিস করেন গোল। হোসে কানালে জয়সূচক গোল করলে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে প্যারাগুয়ে শিবির। এর আগে বোস্টন স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচে জার্মানির আধিপত্যের মধ্যেই প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে লিড নেয় প্যারাগুয়ে। প্রথম কর্নারটি জার্মান
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ৩০ মিনিটেও ফল বের হয়নি। জার্মান ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচটি ১-১ সমতাতেই থেকে যায়। ফলে টাইব্রেকারে গড়ায় লড়াই।
রুদ্ধশ্বাস সেই লড়াইয়ে ৪-৩ ব্যবধানে জিতেছে প্যারাগুয়ে। ফলে তারা নাম লিখিয়েছে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে। বিদায় হয়ে গেছে চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির।
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই পিছিয়ে পড়ে জার্মানি। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে কাই হাভার্টজের শট ঠেকিয়ে দেন প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক অরলান্ডো গিল।
এরপরের দুই শটে গোল করলেও চতুর্থ শটে আবার মিস জার্মানির নিক ওলটেরমেডের। জবাবে প্যারাগুয়ের আন্তোনিও সানাব্রিয়াওর গোল আটকে দেন ম্যানুয়েল নয়্যার। আবারও এক গোলে পিছিয়ে থাকে জার্মানি।
পরে জার্মানির নাদিম আমেরি গোল করলে শেষ শটে প্যারাগুয়ের জেতার সুযোগ ছিল। কিন্তু এবার নয়্যার ফিরিয়ে দেন ফ্যাবিয়েন বুলবেনার শট। ৩-৩ হয় পেনাল্টিতে।
কিন্তু এরপর জার্মানির জোনাথান তাহ মিস করেন গোল। হোসে কানালে জয়সূচক গোল করলে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে প্যারাগুয়ে শিবির।
এর আগে বোস্টন স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচে জার্মানির আধিপত্যের মধ্যেই প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে লিড নেয় প্যারাগুয়ে।
প্রথম কর্নারটি জার্মানি ক্লিয়ার করলেও দুর্দান্ত এক স্লাইড ট্যাকলে বলের দখল ধরে রাখেন জর্জ কাসেরেস। এরপর মিগুয়েল আলমিরন ও মাতিয়াস গালারজার চমৎকার সমন্বয়ে গড়ে ওঠে আক্রমণ।
গালারজার নিখুঁত ক্রসে দারুণ টাইমিংয়ে দৌড়ে এসে হেড করেন জুলিও এনসিকো। বল চলে যায় কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের নাগালের বাইরে। ৪২ মিনিটে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে।
গোল শোধে মরিয়া জার্মানি দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায়। ৫৪ মিনিটে অবশেষে ভাঙে প্যারাগুয়ের রক্ষণ। দুর্দান্ত এক আক্রমণে ম্যাচে সমতা ফেরায় জার্মানি।
ফ্লোরিয়ান উইর্টজ বক্সের ভেতরে চমৎকার একটি বল বাড়িয়ে দেন। সেখানে নিখুঁত স্পর্শে বলটি বাড়িয়ে দেন কাই হাভার্টজ। তার সূক্ষ্ম ফ্লিক জড়িয়ে যায় গোলপোস্টের ডানদিকের নিচের কোণে (১-১)।
এরপর অনেক চেষ্টা করেও আর প্যারাগুয়ের দুর্গ ভাঙতে পারেনি জার্মানি। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।
অতিরিক্ত সময়েও গোল করতে পারেনি দুই দল। ১০৫ মিনিটে জার্মানি একবার বল জালে জড়ালেও সেটি ফাউলের কারণে ভিএআরে বাতিল হয়।
এমএমআর
What's Your Reaction?