জুলাইয়ের টেন্ডার কি একাই নিয়েছেন?
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিরোধী দলকে (জামায়াত জোট) উদ্দেশ করে তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ছুড়লেন সরকারি (বিএনপি) জোটের শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, জুলাইয়ের টেন্ডার কি আপনারাই একাই নিয়েছেন? বিষয়টি এমন নয়। রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের অষ্টম দিনে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক উত্থাপিত এক মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জামায়াত জোটকে উদ্দেশ্য করে এমনটি বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। বক্তব্যের শুরুতে আন্দালিব পার্থ বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের দাবির বিষয়ে সরকারকে আরও ধৈর্যশীল হতে হবে। তারা আহত হয়েছেন, অনেকে জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা আজ সংসদে আছি। সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশে একটি আধা-সাংবিধানিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সংবিধানে এমন পরিস্থিতির সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায় তখন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তবে এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। সংস্কার ও সংশোধনের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা চাই জুলাই সনদের বিষয়গুলো
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিরোধী দলকে (জামায়াত জোট) উদ্দেশ করে তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ছুড়লেন সরকারি (বিএনপি) জোটের শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, জুলাইয়ের টেন্ডার কি আপনারাই একাই নিয়েছেন? বিষয়টি এমন নয়।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের অষ্টম দিনে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক উত্থাপিত এক মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি জামায়াত জোটকে উদ্দেশ্য করে এমনটি বলেন।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
বক্তব্যের শুরুতে আন্দালিব পার্থ বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের দাবির বিষয়ে সরকারকে আরও ধৈর্যশীল হতে হবে। তারা আহত হয়েছেন, অনেকে জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা আজ সংসদে আছি।
সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশে একটি আধা-সাংবিধানিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সংবিধানে এমন পরিস্থিতির সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায় তখন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তবে এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই।
সংস্কার ও সংশোধনের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা চাই জুলাই সনদের বিষয়গুলো সংবিধানের ভেতরে থেকেই বাস্তবায়ন হোক। সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনেই প্রয়োজনীয় সংশোধন করা উচিত।
গণভোট ও আইন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আইন না বুঝে বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত নয়।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমরা গণভোটে বিশ্বাস করি, কারণ আমরা জনগণের ক্ষমতায়নে আস্থা রাখি। ২১৭টি আসনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা সংসদে এসেছি আইন সংশোধন ও পরিবর্তনের জন্য।
তিনি আরও বলেন, যে সংবিধান জনগণের কথা বলে না, জনগণ সেই সংবিধান মেনে নেবে না। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়েই গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে চাই।
What's Your Reaction?