জুলাইয়ে কীভাবে পুলিশকে রক্তাক্ত করেছিলাম দেখেন নাই: এনসিপি নেতা জুবাইরুল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য জুবাইরুল আলম মানিক বলেন, আমরা এখনো দেখি এমপির নির্দেশনা ছাড়া প্রশাসন কাজ করে না। সাধারণ মানুষ ইউএনও এবং ওসির কাছে গেলে তাদেরকে বলা হচ্ছে এমপি থেকে সুপারিশ নিয়ে আসেন। সরকারের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তাদের মধ্যে ভাগ-ভাটোয়ারা হয়ে যায়। আমরা ইউএনও এবং ওসিকে প্রশ্ন করতে চাই, আপনারা কি ২৪ দেখেন নাই? কিভাবে থাকাগুলো জ্বালিয়ে দিয়েছে? আপনারা কি তখন দেখেন নাই যে, পুলিশ জনগণের টাকায় চলে তাদেরকে আামরা পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিলাম। কেন করেছিলাম? তারা দলীয়ভাবে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা আওয়ামী লীগকে আর ফিরতে দেব না। আর কাউকে আওয়ামী লীগ হয়ে উঠতে দেব না। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী টানেল মোড়ে ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বিকেলে সমাবেশের দেওয়া এই বক্তব্য ভাইরাল হয়। সমাবেশে জুবাইরুল আলম মানিক

জুলাইয়ে কীভাবে পুলিশকে রক্তাক্ত করেছিলাম দেখেন নাই: এনসিপি নেতা জুবাইরুল
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য জুবাইরুল আলম মানিক বলেন, আমরা এখনো দেখি এমপির নির্দেশনা ছাড়া প্রশাসন কাজ করে না। সাধারণ মানুষ ইউএনও এবং ওসির কাছে গেলে তাদেরকে বলা হচ্ছে এমপি থেকে সুপারিশ নিয়ে আসেন। সরকারের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তাদের মধ্যে ভাগ-ভাটোয়ারা হয়ে যায়। আমরা ইউএনও এবং ওসিকে প্রশ্ন করতে চাই, আপনারা কি ২৪ দেখেন নাই? কিভাবে থাকাগুলো জ্বালিয়ে দিয়েছে? আপনারা কি তখন দেখেন নাই যে, পুলিশ জনগণের টাকায় চলে তাদেরকে আামরা পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিলাম। কেন করেছিলাম? তারা দলীয়ভাবে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা আওয়ামী লীগকে আর ফিরতে দেব না। আর কাউকে আওয়ামী লীগ হয়ে উঠতে দেব না। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী টানেল মোড়ে ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বিকেলে সমাবেশের দেওয়া এই বক্তব্য ভাইরাল হয়। সমাবেশে জুবাইরুল আলম মানিক বলেন, টিসিবি ও ওএমএস’র মতো সরকারি কল্যাণমূলক খাদ্য সহায়তা সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছে বিভিন্ন নেতার মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা হয়ে যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড কিংবা যেকোনো সরকারি চাকরির নিয়োগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এমপির সুপারিশ আনার কথা বলে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী প্রশাসনের পোশাক ছেড়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ক্যাডারদের মতো ভূমিকা পালন করেছিল। ওই সময় বাধ্য হয়ে বিক্ষুব্ধ জনগণ পুলিশের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিল। সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে পরবর্তীতে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে জুবাইরুল আলম মানিক বলেন, প্রশাসন দলীয়করণ করছে বলেই আমি একথা বলেছি, আমার বক্তব্যে আমি জুলাই আন্দোলনের উদাহারণ দিয়েছি। সমাবেশে আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবদুল গনির সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবুল হাছান খোকার সঞ্চালনায় ১১-দলীয় ঐক্যের স্থানীয় শীর্ষ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow