জুলাই গণঅভ্যুত্থান একক কারও কৃতিত্ব নয়: শেকৃবি উপাচার্য
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কৃতিত্ব নেই, এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত আন্দোলন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেকৃবি উপাচার্য বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জনগণের আন্দোলন, যেখানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। আরও পড়ুন আমরা যদি বলি জুলাই কার, তাহলে জুলাই কারওই থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যেন আবার অশান্তির দিকে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আমরা সবাই ঐক্যের কথা বলি, কিন্তু বাস্তবে সেই ঐক্য কতটা ধরে রাখতে পারছি, সেটিও ভাবার বিষয়। অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেন, জুলাইয়ে আমরা দেখেছি, মানুষের ক্ষোভ দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকলে তা কীভাবে বিস্ফোরিত হতে পারে। রাষ্ট্রক্ষমতা ও প্রশাসনিক শক্তি হাতে থাকার পরও জনগণের রোষের মুখে একটি সরকারের পতন হয়েছে। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উদ্দেশে উপাচ
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কৃতিত্ব নেই, এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত আন্দোলন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেকৃবি উপাচার্য বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জনগণের আন্দোলন, যেখানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যেন আবার অশান্তির দিকে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আমরা সবাই ঐক্যের কথা বলি, কিন্তু বাস্তবে সেই ঐক্য কতটা ধরে রাখতে পারছি, সেটিও ভাবার বিষয়।
অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেন, জুলাইয়ে আমরা দেখেছি, মানুষের ক্ষোভ দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকলে তা কীভাবে বিস্ফোরিত হতে পারে। রাষ্ট্রক্ষমতা ও প্রশাসনিক শক্তি হাতে থাকার পরও জনগণের রোষের মুখে একটি সরকারের পতন হয়েছে।
ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, যারা ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেবেন, তাদের এ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। কেউ যদি ফ্যাসিবাদী বা স্বৈরাচারী হয়ে ওঠেন, তাহলে জনগণের ক্ষোভ আবারও বিস্ফোরিত হতে পারে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং একটি গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের কল্যাণে সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করেই এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. আশাবুল হক। উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল বাশার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আরফান আলী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এমডিএসএ/কেএসআর
What's Your Reaction?

