‘জুলাই বার্তাবীর’ সম্মাননায় ভূষিত হলেন কালবেলার ৬ সাংবাদিক
জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে রাজপথের প্রতিরোধের ইতিহাস উঠে এসেছিল কলম ও ক্যামেরার ফ্রেমে। সেই ইতিহাসের বার্তাবাহক হিসেবে গণঅভ্যুত্থানের সময় সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা’ পেয়েছেন দৈনিক কালবেলার ৬ সাংবাদিক। তারা হলেন, দৈনিক কালবেলার মোজো রিপোর্টার আবু বক্কার সিদ্দিক, এইচ এম মাহিন, আমিরুল ইসলাম ফরহাদ, মামুন হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার অন্তু মুজাহিদ ও আমজাদ হোসেন হৃদয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মাঠে থেকে মোবাইল, ক্যামেরা ও কলম হাতে তারা আন্দোলনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন পাঠকের সামনে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি একই সঙ্গে ফেলানী হত্যা দিবসের স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়। আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে এবং জাম (JAM) ও বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের (আইডিইবি) সহযোগিতায় দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আহত ব্যক্তি, শহীদ পরিবারের সদস্য ও সাংবাদিকসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের মধ্যে স্মারক ও আর্থিক সহায়ত
জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে রাজপথের প্রতিরোধের ইতিহাস উঠে এসেছিল কলম ও ক্যামেরার ফ্রেমে। সেই ইতিহাসের বার্তাবাহক হিসেবে গণঅভ্যুত্থানের সময় সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা’ পেয়েছেন দৈনিক কালবেলার ৬ সাংবাদিক।
তারা হলেন, দৈনিক কালবেলার মোজো রিপোর্টার আবু বক্কার সিদ্দিক, এইচ এম মাহিন, আমিরুল ইসলাম ফরহাদ, মামুন হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার অন্তু মুজাহিদ ও আমজাদ হোসেন হৃদয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মাঠে থেকে মোবাইল, ক্যামেরা ও কলম হাতে তারা আন্দোলনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন পাঠকের সামনে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি একই সঙ্গে ফেলানী হত্যা দিবসের স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়।
আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে এবং জাম (JAM) ও বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের (আইডিইবি) সহযোগিতায় দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আহত ব্যক্তি, শহীদ পরিবারের সদস্য ও সাংবাদিকসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের মধ্যে স্মারক ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সাহসিকতা ও পেশাদার দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১০২ জন সাংবাদিককে ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা’ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আলামিন আতিয়া ও ডাকসু সদস্য তাজিনুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ নতুন করে মুক্তির স্বাদ পেয়েছে।’
এ সময় তিনি আবু সাঈদসহ সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আন্দোলন চলাকালে নির্বিচারে গুলি চালানোর ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবি করেন।
জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষে বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিগবাহ বলেন, ‘শহীদদের মর্যাদা বা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তা প্রতিহত করা হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে মো. তারেক আজিজ বলেন, ‘আহত জুলাই যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ আন্দোলনের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করেছে।’
এ ছাড়া ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং আগ্রাসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
What's Your Reaction?