জুলাই সনদে সমর্থন চাচ্ছি, যাতে দেশটা বদলে যায় : উপদেষ্টা আদিলুর

স্থানীয় সরকার, শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, আমরা জুলাই সনদের পক্ষে গণমানুষের সমর্থন চাচ্ছি যাতে বাংলাদেশটা বদলে যায়। আমরা থাকব না; কিন্তু বাংলাদেশ শত-সহস্র বছর টিকে থাকবে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে এক অবহিতকরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, চব্বিশে জুলাই অভ্যুত্থানে ১৪০০ তরুণ প্রাণের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ আবার মুক্ত হয়েছিল, সে বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের পক্ষে সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে হয়ে জুলাইয়ের চিন্তাকে, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সনদ তৈরি করেছে, সেই সনদের ব্যাপারে বাংলাদেশের জনগণের সম্মতির এই গণভোট। সেই ভোট নিয়ে কথা বলতে এসেছি আমরা। যে কথা আপনারাও বলছেন, সারা বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষও বলছে। কারণ বাংলাদেশের ১৫টা বছর আগ্রাসনের অধীনে ছিল। বাংলাদেশের মানুষ ১৫ বছর স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে নাই, স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে নাই, চিন্তা করতে পারে নাই। চিন্তারও স্বাধীনতা ছিল না।  তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ১৫ বছর আগ্রাসনের অধীনে ছিল। এ স

জুলাই সনদে সমর্থন চাচ্ছি, যাতে দেশটা বদলে যায় : উপদেষ্টা আদিলুর

স্থানীয় সরকার, শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, আমরা জুলাই সনদের পক্ষে গণমানুষের সমর্থন চাচ্ছি যাতে বাংলাদেশটা বদলে যায়। আমরা থাকব না; কিন্তু বাংলাদেশ শত-সহস্র বছর টিকে থাকবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে এক অবহিতকরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, চব্বিশে জুলাই অভ্যুত্থানে ১৪০০ তরুণ প্রাণের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ আবার মুক্ত হয়েছিল, সে বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের পক্ষে সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে হয়ে জুলাইয়ের চিন্তাকে, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সনদ তৈরি করেছে, সেই সনদের ব্যাপারে বাংলাদেশের জনগণের সম্মতির এই গণভোট। সেই ভোট নিয়ে কথা বলতে এসেছি আমরা। যে কথা আপনারাও বলছেন, সারা বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষও বলছে। কারণ বাংলাদেশের ১৫টা বছর আগ্রাসনের অধীনে ছিল। বাংলাদেশের মানুষ ১৫ বছর স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে নাই, স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে নাই, চিন্তা করতে পারে নাই। চিন্তারও স্বাধীনতা ছিল না। 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ১৫ বছর আগ্রাসনের অধীনে ছিল। এ সময় বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেনি, ভোট দিতে পারেনি। তাই দেশের জনগণের সম্মতির জন্য এ গণভোট। তাই জুলাই সনদের পক্ষে গণমানুষের সমর্থন চাচ্ছি, যাতে বাংলাদেশ শত-সহস্র বছর টিকে থাকবে। গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দিবে। 

‘জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ যেন আর ফিরে না আসে, আয়নাঘর তৈরি না হয়। লুটপাট, বিদেশে টাকা পাচার না হয়। সেজন্য জুলাই সনদের পক্ষে, গণমানুষের পক্ষে ১২ ফেব্রুয়ারি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সিল মেরে বাস্তবায়ন করুন। কেউ যেন বিভ্রান্ত করার সুযোগ না পায়। বাংলাদেশের মানুষ কোনো আগ্রাসনের কাছে মাথা নত করবে না।’

উপদেষ্টা আদিলুর বলেন, আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশ ১২ তারিখের পর আপনাদের রায় নিয়ে এবং যাদের কাছে আপনারা যাচ্ছেন তাদের রায় নিয়ে তার যোগ্য জায়গায় দাঁড়িয়ে যাবে। কোনো আগ্রাসনের কাছে আর মাথা নত করবে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে আর দুশ্চিন্তার কারণ থাকবে না। বাংলাদেশে বিচারহীনতার ঘটনা ঘটবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করার বাইরে বাধ্য হবে না অন্য কিছু করার জন্য।

এসময় আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাজমা নাহার, শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান। উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুয়েলের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। পরে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান উপজেলার কলকাতা ভোগদিয়া রুরাল মার্কেট ও জোড়পুল খিদিরপাড়া-ভাটিভোগ-তালতলা রাস্তা পরিদর্শন করেন।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow