জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান নেজামে ইসলাম পার্টির

রক্তস্নাত জুলাই বিপ্লবের পর দেশের মানুষ নতুন সরকারের কাছে সহিংসতা নয়, বরং সুশাসন এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা। রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর কাকরাইলে হোটেল রাজমনি ঈশা খাঁয় জাতীয় নেতাদের, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্টির আমির মাওলানা সারোয়ার কামাল আজিজী এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব ডা. মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস খান। নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও এর ঘোষিত ফলাফল নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবহে জনগণের ব্যালটের অধিকার ফিরে পাওয়ার আশা থাকলেও, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ফলাফল সেই প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি বলে দাবি করেন তারা। ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই ছিল জনগণের মূল চাওয়া। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান (এমপি)। প্রধান আ

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান নেজামে ইসলাম পার্টির
রক্তস্নাত জুলাই বিপ্লবের পর দেশের মানুষ নতুন সরকারের কাছে সহিংসতা নয়, বরং সুশাসন এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা। রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর কাকরাইলে হোটেল রাজমনি ঈশা খাঁয় জাতীয় নেতাদের, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্টির আমির মাওলানা সারোয়ার কামাল আজিজী এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব ডা. মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস খান। নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও এর ঘোষিত ফলাফল নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবহে জনগণের ব্যালটের অধিকার ফিরে পাওয়ার আশা থাকলেও, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ফলাফল সেই প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি বলে দাবি করেন তারা। ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই ছিল জনগণের মূল চাওয়া। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান (এমপি)। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার। মাহফিলে বিশ্ব শান্তি ও মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানানো হয়। এছাড়া ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে নেতারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে সেখানে অবস্থানরত প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধ এবং বিমান চলাচল স্থগিত হওয়ায় প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়েছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে প্রবাসীদের জরুরি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান তারা। ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন, কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, মো. আখতার হোসেন (এমপি), ড. মাওলানা ঈসা শাহেদী, মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। এছাড়া নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow