জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে জনগণ কখনোই ক্ষমা করবে না: শিশির মনির
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, ‘একটা ফ্যামিলি কার্ড আপনি দেবেন কি দেবেন না—এর মাধ্যমে আপনার অর্থনৈতিক সমস্যা দূর হবে না। কিন্তু আপনি যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করেন, তাহলে জনগণ আপনাদের কখনোই ক্ষমা করবে না।’ বুধবার (১১ মার্চ) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অনীহা: উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই সনদ নিয়ে শিশির মনির বলেন, আমাদের ধারণা, পর্দার আড়ালে কেউ একজন এই খেলাটা খেলছে। আপনারা সেই পর্দাকে উন্মোচন করুন, তাহলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সরকার গঠনের আগের বক্তব্য এবং পরের বক্তব্য দুটি সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। জুলাই সনদ, গণভোট—এগুলো আইনের বিষয়, অথচ আইনমন্ত্রী এই বিষয়ে কথা বলেননি। আইনমন্ত্রীর বিষয়ে কেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলছেন? শিশির মনির বলেন, আমার মনে হচ্ছে বিএনপি একেবারেই বেমালুম ভুলে গেছে যে ২৪-এর জুলাইয়ে দেশে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল এবং এই সরকারটা জুলাই-পরবর্তী জনগণে
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, ‘একটা ফ্যামিলি কার্ড আপনি দেবেন কি দেবেন না—এর মাধ্যমে আপনার অর্থনৈতিক সমস্যা দূর হবে না। কিন্তু আপনি যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করেন, তাহলে জনগণ আপনাদের কখনোই ক্ষমা করবে না।’
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অনীহা: উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই সনদ নিয়ে শিশির মনির বলেন, আমাদের ধারণা, পর্দার আড়ালে কেউ একজন এই খেলাটা খেলছে। আপনারা সেই পর্দাকে উন্মোচন করুন, তাহলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সরকার গঠনের আগের বক্তব্য এবং পরের বক্তব্য দুটি সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। জুলাই সনদ, গণভোট—এগুলো আইনের বিষয়, অথচ আইনমন্ত্রী এই বিষয়ে কথা বলেননি। আইনমন্ত্রীর বিষয়ে কেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলছেন?
শিশির মনির বলেন, আমার মনে হচ্ছে বিএনপি একেবারেই বেমালুম ভুলে গেছে যে ২৪-এর জুলাইয়ে দেশে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল এবং এই সরকারটা জুলাই-পরবর্তী জনগণের সমর্থন দিয়ে বৈধতা পাওয়া সরকার। তারা মনে করছে এটা সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের সরকার।
তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশনে যেসব বিষয়ে ঐক্যমত্য হয়েছিল, সেগুলোতেই তারা বিতর্ক করছে—এটা নেতৃত্বের দুর্বলতা। জনগণ ও এই প্রজন্মের সবাই এই সরকারের ধোঁকাবাজি ধরে ফেলেছে। এ সরকারের প্রতি অনাস্থা তৈরি হচ্ছে।
এ সময় তিনি বলেন, আমাদের যতক্ষণ পর্যন্ত জীবন আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত জুলাই সনদকে আইনের আওতায় এনে তাকে জয়যুক্ত করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, গণভোটের পক্ষে বিএনপি নিজেও ঐকমত্য কমিশনে একমত হয়েছিল। আমরা সবাই সেদিন কোলাকুলি করেছিলাম। কিন্তু নির্বাচনের পরে তারা সরাসরি গণভোটের বিপক্ষে চলে গেছে—কিভাবে সম্ভব এটা?
তিনি বলেন, এখান থেকে মনে হচ্ছে তারা কোথাও ঋণী হয়ে গেছেন—যেই ঋণের কারণে তারা এখন ৬০ শতাংশ মানুষের রায়ের বিরুদ্ধে চলে গেছেন। আপনাদের আগের বক্তব্যগুলো কি আপনারা নিজেরাই অস্বীকার করবেন? কিভাবে আপনারা নিজেদের জনগণের দল বলে প্রচার করেন?
আরএএস/এমএমকে
What's Your Reaction?