জুয়েলারি দোকানের দেওয়াল কেটে ২০০ ভরি স্বর্ণ চুরি

রাজশাহীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা পাশের দোকানের দেওয়াল কেটে ‘কারুশ্রী জুয়েলার্স’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১২০০ ভরি রুপা (চাঁদি) এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মালিকপক্ষ। শনিবার (২০ জুন) এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহীর সব জুয়েলারি দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার রাতের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে এ চুরির ঘটনা ঘটে।  জানা গেছে, সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত ‘আফিয়া জুয়েলার্স’ ও ‘কারুশ্রী জুয়েলার্স’ পাশাপাশি। চোরেরা প্রথমে আফিয়া জুয়েলার্সের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দুটি দোকানের মাঝখানের দেওয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে ঢুকে পড়ে। সেখানে থাকা সিন্দুক ও শোকেস থেকে স্বর্ণালংকার, রুপা এবং নগদ অর্থ লুট করে তারা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। কারুশ্রী জুয়েলার্সের মালিকপক্ষের দাবি, দোকান থেকে আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১২০০ ভরি রূপা এবং

জুয়েলারি দোকানের দেওয়াল কেটে ২০০ ভরি স্বর্ণ চুরি

রাজশাহীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা পাশের দোকানের দেওয়াল কেটে ‘কারুশ্রী জুয়েলার্স’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১২০০ ভরি রুপা (চাঁদি) এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মালিকপক্ষ।

শনিবার (২০ জুন) এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহীর সব জুয়েলারি দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার রাতের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে এ চুরির ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত ‘আফিয়া জুয়েলার্স’ ও ‘কারুশ্রী জুয়েলার্স’ পাশাপাশি। চোরেরা প্রথমে আফিয়া জুয়েলার্সের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দুটি দোকানের মাঝখানের দেওয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে ঢুকে পড়ে। সেখানে থাকা সিন্দুক ও শোকেস থেকে স্বর্ণালংকার, রুপা এবং নগদ অর্থ লুট করে তারা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।

কারুশ্রী জুয়েলার্সের মালিকপক্ষের দাবি, দোকান থেকে আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১২০০ ভরি রূপা এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। তবে যে দোকানের ভেতর দিয়ে চোরেরা প্রবেশ করেছে, সেই আফিয়া জুয়েলার্সে কোনো মালামাল ছিল না বলে জানা গেছে।

চুরির ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার নেতারা। সংগঠনটির সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম অপু বলেন, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, রুপা ও নগদ অর্থ লুট হয়েছে। দ্রুত মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা হলে রাজশাহীর সব জুয়েলার্স দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

নগরীর অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় এমন বড় ধরনের চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কীভাবে সংঘবদ্ধ চক্রটি এত বিপুল সংখ্যক স্বর্ণ ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

ঘটনার খবর পেয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি সিআইডি ও ফরেনসিক দলের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি রবিউল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে ঘটনাটি তদন্ত করছে। ইতোমধ্যে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow