জেলি পুশ করা ১৩ লাখ টাকার বাগদা চিংড়ি ধ্বংস

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে র‍্যাব ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে জেলি পুশ করা ১ হাজার ৩৪২ কেজি বাগদা চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রায় ১৩ লাখ টাকার এসব চিংড়ি প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হয়। বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের বুড়াখারাটি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বুড়াখারাটি গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান সরদারের ছেলে রবিউল ইসলাম ও তার ভাই আব্দুল হামিদ নিজ বাড়িতে বাগদা চিংড়িতে জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানোর কাজ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় র‍্যাব-৬, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নুদ্দীন জিয়াদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিউল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি থানার এসআই আব্দুর রউফসহ পুলিশের একটি দল। অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্ত দুই ব্যবসায়ী পালিয়ে গেলেও তাদের বাড়ি থেকে জেলি পুশ করা ৬১ ক্যারেট বাগদা চিংড়ি, অপদ্রব্য এবং ব্যবহৃত সিরিঞ্জ জব্দ করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে

জেলি পুশ করা ১৩ লাখ টাকার বাগদা চিংড়ি ধ্বংস

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে র‍্যাব ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে জেলি পুশ করা ১ হাজার ৩৪২ কেজি বাগদা চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রায় ১৩ লাখ টাকার এসব চিংড়ি প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হয়।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের বুড়াখারাটি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বুড়াখারাটি গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান সরদারের ছেলে রবিউল ইসলাম ও তার ভাই আব্দুল হামিদ নিজ বাড়িতে বাগদা চিংড়িতে জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানোর কাজ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় র‍্যাব-৬, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নুদ্দীন জিয়াদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিউল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি থানার এসআই আব্দুর রউফসহ পুলিশের একটি দল।

অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্ত দুই ব্যবসায়ী পালিয়ে গেলেও তাদের বাড়ি থেকে জেলি পুশ করা ৬১ ক্যারেট বাগদা চিংড়ি, অপদ্রব্য এবং ব্যবহৃত সিরিঞ্জ জব্দ করা হয়।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিউল ইসলামের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জব্দ করা চিংড়িগুলো সড়কে ফেলে গাড়ির চাকার নিচে পিষ্ট করা হয়। এরপর পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে মাছগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।

মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা চিংড়ির মোট ওজন প্রায় ১ হাজার ৩৪২ কেজি এবং বাজারমূল্য আনুমানিক ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় জেলি পুশের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow