জেলেদের অবৈধ আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপি নেতারা
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদীতে জাটকা নিধন ও চিংড়ি রেণু পাচারে লিপ্ত অসাধু জেলেদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন হাইমচর উপজেলা বিএনপি নেতারা। রোববার (৫ এপ্রিল) হাইমচর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ গাজীর নেতৃত্বে মেঘনা উপকূলীয় এলাকায় এই বিশেষ তৎপরতা পরিচালিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাটকা সংরক্ষণের দুই মাস (মার্চ-এপ্রিল) নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও অসাধু চক্র তা অমান্য করে আসছিল। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা জেলেরা হাইমচরের নির্জন সুপারি বাগান ও ঝোপঝাড়ের আড়ালে অস্থায়ী ঝুপড়ি ঘর তৈরি করে আস্তানা গড়ে তোলেন। সেখান থেকে রাতের আঁধারে জাটকা ও চিংড়ি রেণু ধরে গোপনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করা হতো। চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসব আস্তানায় হানা দেন। তারা অবৈধ ঝুপড়িগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর পুনরায় ব্যবহার অনুপযোগী করতে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেন। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ গাজী বলেন, ‘আমাদের নেতা শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের স
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদীতে জাটকা নিধন ও চিংড়ি রেণু পাচারে লিপ্ত অসাধু জেলেদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন হাইমচর উপজেলা বিএনপি নেতারা।
রোববার (৫ এপ্রিল) হাইমচর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ গাজীর নেতৃত্বে মেঘনা উপকূলীয় এলাকায় এই বিশেষ তৎপরতা পরিচালিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাটকা সংরক্ষণের দুই মাস (মার্চ-এপ্রিল) নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও অসাধু চক্র তা অমান্য করে আসছিল। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা জেলেরা হাইমচরের নির্জন সুপারি বাগান ও ঝোপঝাড়ের আড়ালে অস্থায়ী ঝুপড়ি ঘর তৈরি করে আস্তানা গড়ে তোলেন। সেখান থেকে রাতের আঁধারে জাটকা ও চিংড়ি রেণু ধরে গোপনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করা হতো। চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসব আস্তানায় হানা দেন। তারা অবৈধ ঝুপড়িগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর পুনরায় ব্যবহার অনুপযোগী করতে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেন।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ গাজী বলেন, ‘আমাদের নেতা শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করার। জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে আমরা রাজপথে ও নদীর পাড়ে অতন্দ্র প্রহরীর মতো আছি। কোনো অপশক্তিকে ইলিশ সম্পদ ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না।’
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের সরদার জানান, আস্তানা উচ্ছেদের সময় নদীতে জাল ফেলা কয়েকটি নৌকাকেও ধাওয়া করা হয়েছে। বিএনপির উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু জেলেরা নৌকা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। সরকারি নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা পর্যন্ত এই তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ ফয়সাল আখন বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় কোনো টালবাহানা চলবে না। জাটকা নিধন ও চিংড়ি রেণু পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যে দলেরই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’
বিএনপির এই বিশেষ তৎপরতায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহসিন সরদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জনি সরদার ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
প্রতিবছরের মতো এবারও জাটকা রক্ষায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এবারের অভিযানে প্রশাসনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে স্থানীয় বিএনপির এমন সক্রিয় অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
What's Your Reaction?