জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন প্রদান

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা পাঁচ বছরের শিশু আলিফাকে দেওয়া হলো অন্য রোগীর জন্য আনা কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন। বুধবার (৮ এপ্রিল) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ওই দিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার ৫ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন। উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ কর্তব্যরত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এই ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক আবু ইউসুফ বলেন, এ ভ্যাকসিনে কোনো ক্ষতি হবে না, তবে আমি ভুল করে অন্য রোগীর ভ্যাকসিন শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরি

জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন প্রদান

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা পাঁচ বছরের শিশু আলিফাকে দেওয়া হলো অন্য রোগীর জন্য আনা কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ওই দিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার ৫ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন।

উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন।

জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ কর্তব্যরত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এই ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক আবু ইউসুফ বলেন, এ ভ্যাকসিনে কোনো ক্ষতি হবে না, তবে আমি ভুল করে অন্য রোগীর ভ্যাকসিন শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। আমরা বাচ্চাটাকে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেছি। তারপরও দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসারকে শোকজ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow